তোমার রক্তের ঋণ যে অনেক ভারী
আযম আলী
তোমার রক্তের ঋণ যে অনেক ভারী
মানুষের ভালোবাসা
যদি হয় পাহাড় সমান
মানুষের প্রতি তোমার ভালবাসা পর্বত সমান!
তাইতো তুমি বাংলামায়ের হাজার বছরের
অপেক্ষমাণ সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ সন্তান ।
তুমি জাতির গর্ব, জাতির অহংকার
মোদের জাতির পিতা।
তোমার বুকে খুনী ঘাতকদের
একেকটি গুলি বিদ্ধ হলো বাংলাদেশ
বিশ্ব মানচিত্রে কলংকিত হলো জাতি।
তোমার ও তোমার পরিবারের প্রতিটি রক্ত কনায়
ভিজে আছে সবুজ শ্যামল সারা বাংলার
মাঠ পাহাড় পর্বত সাগর নদী।
তাইত পদ্মা ,মেঘনা ,গৌরি ,যমুনা
বারবার গর্জে উঠে বলে
সইতে পারিনা পিতা
তোমার রক্তের ঋণ যে অনেক ভারী।
যতকাল রবে মোদের বহমান
ভুলবনা তোমার অবদান।
আজিকার নতুন প্রজন্ম বলে দুর্ভাগ্য মোদের হে জাতির পিতা।
তোমাকে দেখেনি , হাজার ষড়যন্ত্র করেও দেশবিরোধী শত্রুরা তোমাকে মুছে ফেলতে পারেনি।
এখন শুনতে পাই তোমার রেখে যাওয়া
পৃথিবীর সেরা বজ্র কন্ঠ!
তুমি অমর কাব্যের কবি, মোদের জাতির পিতা।
হে পিতা! হিমালয় ছবিতে দেখি, তোমাকে দেখেনি ইতিহাস বলে তোমার কীর্তি তার চাইতে উঁচু ।
জাতিসংঘে তোমার প্রথম বাংলা বজ্রকন্ঠ অবাক পৃথিবী।
সম্রাজ্যবাদের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে তুমি বলেছিলে
বিশ্ব দু-ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোষিত ।
আমি শোষিতের পক্ষে।
সেদিন থেকে তুমি মোদের একার নয়
বিশ্বের শোষিত, নির্যাতিত, দুঙখী মানুষেরও পিতা।
হে পিতা, খুনী ও খুনীর দোসররা ভুলে গেছে
তোমার আদর্শ কত মহান, কত শক্তিশালী
তাইতো শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে
তোমার রক্ত ঋনের বোঝা
কাঁধে নিয়েবয়ে চলছে তোমার রক্তের উত্তরসূরী! দুর্বার গতিতেগড়ে তুলছে তোমার স্বপ্নে আঁকা সোনার বাংলা।
আলী আজম
সাবেক সদস্য. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি