শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাংবাদিক ইয়াকুব খান শিশিরের বিদায়, শোকে কাতর স্বজন ও সংবাদকর্মীরা হরিণাকুণ্ডুতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে ভস্মিভুত হয়ে গেল একটি মুদি ও চায়ের দোকান ঠাকুরগাঁয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝরের সৌজন্য ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিরিয়াল কিলার সম্রাটের আসল পরিচয় প্রকাশ, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য নতুন পে-স্কেল কার্যকর কবে? জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেব: র‌্যাব মহাপরিচালক পত্নীতলায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো মা-মেয়ের রাতের আঁধারে ভ্যান চুরি, পথে বসলো শৈলকুপার সাজ্জাদ মন্ডল জুলাই আন্দোলনে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭, ৫জনই দিন মজুর নারী
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com
সাংবাদিক ইয়াকুব খান শিশিরের বিদায়, শোকে কাতর স্বজন ও সংবাদকর্মীরা
সুজন হোসেন রিফাত মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের প্রবীণ সাংবাদিক ও কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ইয়াকুব খান শিশিরের জানাজা সম্পূর্ণ হয়েছে। (২১ জানুয়ারি) বুধবার বাদ যোহর মাদারীপুর   পৌর ঈদগাহ মাঠে জানাজা সম্পূর্ণ করা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা’যায়,ইয়াকুব খান শিশির দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বুধবার ভোর রাত চারটা দশ মিনিটের সময় ইন্তেকাল করেন তার প্রথম জানাজা মাদারীপুর পৌরসভা ঈদগা মাঠে বাদ জোহুর অনুষ্ঠিত হয়েছে, পরবর্তীতে তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। সাংবাদিক  শিশিরের মৃত্যুতে মাদারীপুর সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানাযায় সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিক ও সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গসহ  উপস্থিত সকলে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন,ইয়াকুব খান শিশির তিনি তার লেখনির মাধ্যমে মানুষের মাঝে আজীবন বেঁচে থাকবে আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি মহান আল্লাহ তা’আলা তাকে যেন জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ স্থান দান করেন।
উল্লেখ্য,ইয়াকুব খান শিশির ১৯৬১ সালে টাঙ্গাইল জেলার নাগপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষীদিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।ইয়াকুব খান শিশির ২০০২ সালে মাদারীপুরের দৈনিক সুবর্ণগ্রাম পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন,এছারাও  তিনি কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজে ১৯৯৩ সালে বাংলা প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০২০ সালে অবসরে আসেন। কালকিনি উপজেলার সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন ২০০৩ সালে কালকিনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন পরবর্তীতে তিনি মাদারীপুরে চলে আসেন এবং দৈনিক সমকাল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেন পাশাপাশি বাংলাভিশন টেলিভিশনের মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করেছেন এরপর থেকে তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক মাদারীপুর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
হরিণাকুণ্ডুতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে ভস্মিভুত হয়ে গেল একটি মুদি ও চায়ের দোকান

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ভয়াবহ আগুনে ভষ্মিভুত হয়ে গেল একটি মুদি ও চায়ের দোকান।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে গাজীপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন কালুর মুদি ও চায়ের দোকানে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
কামাল উদ্দিন কালু জানান, আমার এই দোকানই ছিলো আমার একমাত্র সম্বল। অগ্নিকান্ডে দোকানের অবকাঠামো ও মালামালসহ আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় প্রায় এক ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সুত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সুত্রে জানাযায়।
এদিকে সময়মত না পৌছানোর কারনে হরিণাকুণ্ডু ফায়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বলছেন, ফায়ার সার্ভিসের গাফিলতির জন্য’ই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে।এসময় ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি দল আগুন নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে কুলবাড়িয়া বাজারে পৌছালে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে জনতা ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দিতে থাকে।
হরিণাকুন্ডু ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ফরহাদ হোসেনের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ঘটনায় সরাসরি আমরা কোন সংবাদ পায়নি। ভুক্তভোগীরা ৯৯৯ লাইনে ফোন দিলে আমরা মেসেজ পাওয়া মাত্রই ঘটনা স্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিই এক পর্যায়ে স্থানীয় জনতা আমাদের কে অবরূদ্ধ করে রাখে। পরে জনতা ভুল বুঝতে পেরে আমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তাৎক্ষনাত অবরুদ্ধতা এড়িয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটানাস্থল পরিদর্শন করি।

ঠাকুরগাঁয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝরের সৌজন্য ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বিশ্বজিৎ সরকার রনি,   ঠাকুরগাঁও জেলা   প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও–২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মোঃ আব্দুস সালামের সুযোগ্য কন্যা ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন।গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে পারস্পরিক পরিচিতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার অস্থায়ী প্রেসক্লাব (চারণ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর হলরুমে) আয়োজিত এই সভায় উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝর সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।এ সময় তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন এবং তাদের লেখনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হয়।মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিকদের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেন ডা. কাসফিয়া সালাম নির্ঝর। পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।উপস্থিত সাংবাদিকরাও তাদের বক্তব্যে বলেন, বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে জনস্বার্থে কাজ করাই সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য। তারা এলাকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।সৌহার্দ্যপূর্ণ ও প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন
সিরিয়াল কিলার সম্রাটের আসল পরিচয় প্রকাশ, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

এন এস বি ডেস্ক: সাভারে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার সিরিয়াল কিলারের আসল নাম ‘মশিউর রহমান খান সম্রাট’ নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ। তার বাবার নাম পান্না শেখ। তিন ভাই ও চার বোনের এই পরিবারটির বড় বোন শারমিন। সবুজ দ্বিতীয় সন্তান। জন্মস্থান ও পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রামে। পরিবারের আত্মীয়দের একটি অংশ বরিশাল এলাকায় বসবাস করে।পুলিশ বলছে, নাম ও পরিচয় গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ফাঁদ পেতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভবঘুরে নারীদের পরিত্যক্ত ও নির্জন ভবনে নিয়ে যেত ওই সিরিয়াল কিলার। সেসব নারীরা অন্য কারো সঙ্গে কিংবা অন্য কেউ তাদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করলে সে তাদের হত্যা করতো। এসব ঘটনায় তার দেয়া স্বীকারোক্তি যাচাই–বাছাই করে দেখছে পুলিশ। মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে সবুজ যে তথ্য দিয়েছে, সেগুলোর সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সবশেষ ঘটনার ৩-৪ দিন আগে তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে তরুণীকে সে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনে এনে রাখে। ওই তরুণীর সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবক অনৈতিক সম্পর্ক করলে প্রথমে তাকে কমিউনিটি সেন্টারের দোতলায় নিয়ে হত্যা করে সবুজ। এরপর ওই ভবঘুরে তরুণীকে নিচতলায় হত্যা করে মরদেহ কাঁধে করে নিয়ে দোতলার টয়লেটে ঢুকিয়ে দুজনকে একসঙ্গে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। সাভার থানার সামনে থেকে রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সবুজকে আটক করে পুলিশ। পরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর থেকে এক কিশোরীসহ দুজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।সোমবার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হলে জিজ্ঞাসাবাদে সে ৬টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে সবুজ শেখ ওরফে সম্রাটকে গত রাতেই কারাগারে পাঠান আদালত।প্রাথমিক তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, সম্রাট ওরফে সবুজ প্রথম খুন করেন ২০২৫ সালের ৪ জুলাই। ওই দিন রাতে সাভার মডেল মসজিদের সামনে আসমা বেগম নামে এক বৃদ্ধাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন তিনি। পরবর্তীতে ওই বছর ২৯ আগস্ট সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে এক যুবককে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেন। এর প্রায় এক মাস পর ১১ অক্টোবর আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয় কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে। তাকেও সবুজ হত্যা করেন বলে স্বীকার করেছেন।গত বছর ১৯ ডিসেম্বর ওই কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরেই আরও এক যুবককে হত্যা করেন সবুজ। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে এক কিশোরীসহ দুজনকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেন তিনি।

নতুন পে-স্কেল কার্যকর কবে?

এন এস বি ডেস্ক: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বিষয়ে প্রতিবেদন ও সুপারিশ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে তুলে দেয়া হবে।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা খুশি হবেন এমন সুপারিশ থাকবে প্রতিবেদনে।তবে কবে থেকে এই নতনু পে-স্কেল বাস্তবায়ন হচ্ছে তা নিয়ে রয়েছে আলোচনা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো আংশিক কার্যকর করার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছে সরকার।তবে বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, বেতনকাঠামো পুরো মাত্রায় বাস্তবায়ন করতে গেলে বাড়তি ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা লাগবে।

সূত্রের তথ্যমতে, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে। এদিকে প্রস্তাবিত বেতনকাঠামোয় নিচের দিকে বেতন–ভাতা বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, এটা দ্বিগুণের বেশি বাড়বে বলে জানা গেছে। বর্তমানে সর্বোচ্চ ধাপে নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এটা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার কথা বলা হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই গঠন করা হয় জাতীয় বেতন কমিশন। ২১ সদস্যের এ কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন ২০১৫ সালের বেতনকাঠামো অনুসারে বেতন-ভাতা পান। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ লাখ।
জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেব: র‌্যাব মহাপরিচালক

এন এস বি ডেস্ক: জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন র‌্যাব মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর পতেঙ্গায় র‌্যাবের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক এ কথা বলেন। যৌথবাহিনী গঠন করে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এবার চেষ্টা করব, দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার যতগুলো বাহিনী আছে সেনাবাহিনীসহ, আপনারা জানেন সেনাবাহিনী এখন মাঠে দায়িত্বরত আছে। সুতরাং সব বাহিনী-সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, জেলা পুলিশ সবাই মিলে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে অলরেডি যোগাযোগ করেছি, এখানে এই যে একটা অভয়াশ্রম তৈরি হয়েছে সন্ত্রাসীদের, এই জায়গাগুলো যদি সরকারি জায়গা হয়, সরকার যেন তার এই জায়গা উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্যকে হত্যাকারী সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী নন উল্লেখ করে বাহিনীর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান বলেছেন, ‘জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম যে কোনোমূল্যে নির্মূল করা হবে। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা আমরা ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেব।’ নিহত র‌্যাব সদস্যের নামাজে জানাজা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের একটা আড্ডাখানা। এটি আমরা খুব শিগগিরই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, এখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছে, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আছে, তাদের আমরা নির্মূল করব। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা আমরা ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেব। এটুকু আমরা আপনাদের কথা দিতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে যত সময় লাগে এবং যতদিন লাগে, এই সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম সেটাকে আমরা নির্মূল করব। এ জন্য আমাদের যতদিন যে প্রক্রিয়া লাগে, যা কিছু লাগে। কারণ তারা কোনোভাবেই রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী না, এটা আমাদের বুঝতে হবে। এতদিন এটা করা হয়নি, বাট এবার ইনশল্লাহ এই সন্ত্রাসীদের যে অভয়াশ্রম এটা আমরা নির্মূল করব ইনশাল্লাহ।’

স্বল্প জনবল নিয়ে অভিযানে যাওয়া এবং কৌশলগত কোনো ভুলত্রুটি ছিল কী না এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের ডিজি বলেন, ‘আমাদের জনবল একেবারে কম ছিল না। পঞ্চাশ জনের ওপরে সদস্য ছিল এবং আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ওখানে আমাদের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করা যাবে, এ ধরনের একটি ধারণার বশবর্তী হয়েই কিন্তু অভিযানটা পরিচালনা করা হয়েছিল। একটা তদন্ত পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখবে যে অভিযানে কোনো ভুলত্রুটি ছিল কী না। যদি কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া যায় তাহলে সেটা কারেকশন করে ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালোভাবে, আরও দৃঢ়ভাবে, আরও সফলতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করব।’

একেএম শহিদুর রহমান বলেন, ‘রাইট অব প্রাইভেট ডিফেন্সে আমাদের অধিকার ছিল সন্ত্রাসীদের গুলি করা। কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং সেখানে হয়তো আরও ক্যাজুয়ালিটির আশঙ্কা ছিল, আমাদের সদস্যরা সন্ত্রাসীদের দিকে গুলি ছুঁড়লে সাধারণ জনগণও আহত-নিহত হওয়ার আশঙ্কার কারণে হয়তো তারা গুলি করেনি। তবে আমরা পুরো অভিযানটি একটি এনকোয়ারি করে দেখব যে এখানে আমাদের কোনো ভুলত্রুটি আছে কী না। ভুলত্রুটি থাকলে সেগুলো সংশোধন করে ভবিষ্যতে আমরা আর সফলতার সঙ্গে এই অভিযানগুলো পরিচালনা করব।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘র‌্যাব কিছু সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল। এই সন্ত্রাসীরাই র‌্যাবের ওপর আক্রমণ করেছে। আমরা তাদের নাম পেয়েছি এবং তাদের গ্রেফতারের জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা পুরো বিষয় তদন্ত করব। একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে এবং সেই মামলার তদন্ত হবে। তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ড এবং র‌্যাবের ওপর আক্রমণ, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত যাদের পাওয়া যাবে, তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। মামলার যিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা,  তারাই বলতে পারবেন যে কারা কারা সম্পৃক্ত আছে। ইনশাল্লাহ খুব শিগগিরই এটা বেরিয়ে আসবে কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত।’

নিহত মোতালেবের পরিবারের পাশে র‌্যাব থাকবে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, ‘শহিদ মোতালেবের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার স্ত্রী স্বামী হারিয়েছেন, সন্তানরা বাবা হারিয়েছেন। আমরা সেই বাবা বা স্বামীকে এনে দিতে পারব না। তবে আমরা এটা নিশ্চিত করতে চাই, এই পরিবারের দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করলাম। এই পরিবারের সঙ্গে আমরা থাকব, মোতালেবের অবর্তমানে তার পরিবার যেন কোনো ধরনের কষ্ট স্বীকার না করে, যদিও আমরা পিতা বা স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। আমরা এই পরিবারের সঙ্গে ইনশাল্লাহ আছি।’

ভবিষ্যতে র‌্যাবের কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই, এ দেশের জনগণ এবং সাংবাদিকরা, আমাদের কার্যক্রমে সবসময় আপনারা সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে আশা করি এবং আপনাদের সহযোগিতা নিয়েই আমরা এ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার কাজে নিয়োজিত থাকব এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, আমরা সর্বশক্তি দিয়ে সেই কাজ করে যাব।’
পত্নীতলায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো মা-মেয়ের
পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর পত্নীতলায় কাঠবোঝাই ট্রাকের চাপায় মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার  রাতে উপজেলা সদর নজিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাপাহার আঞ্চলিক সড়কের বেনারশী পল্লী কাপড়ের দোকানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের উষ্টি গ্রামের বাসিন্দা কাওছার আলীর স্ত্রী খাতিজা (২৮) এবং তার মেয়ে ফাতেমা (৯)। দুর্ঘটনার সময় তারা মোটরসাইকেলে করে নজিপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায় সাপাহার থেকে কাঠবোঝাই একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৬৯১৬) নওগাঁর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ট্রাকটির পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় ইতিহাসকে সাথে ধাক্কা লেগে মা-মেয়ে মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চালক সহ ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাতের আঁধারে ভ্যান চুরি, পথে বসলো শৈলকুপার সাজ্জাদ মন্ডল
রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:   ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ২নং মির্জাপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক সাজ্জাদ মন্ডল এখন চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ভ্যানটি চুরি যাওয়ায় কার্যত নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি। 
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আনুমানিক ভোররাতে সাজ্জাদ মন্ডলের নিজ বাড়ি থেকে তার ভ্যানটি চুরি হয়। ধারদেনা করে কেনা এই ভ্যানের ওপর নির্ভর করেই চলত তার ছয় সদস্যের পরিবার। প্রতিবন্ধী মা, স্ত্রী ও তিন নাবালক সন্তান নিয়ে প্রতিদিনের আয় দিয়েই কোনোরকমে সংসার চালাতেন তিনি। 
ভুক্তভোগী সাজ্জাদ মন্ডল বলেন, “আমার বসতবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই। ধার করে ভ্যান কিনেছিলাম। এই ভ্যানই ছিল আমার সব। এখন সেটাও নেই। আমি বুঝতে পারছি না কীভাবে মা, বউ আর বাচ্চাদের নিয়ে চলব। আবার ভ্যান কেনার মতো সামর্থ্য আমার নেই। আল্লাহ জানেন সামনে কী আছে।” স্থানীয় বাসিন্দা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমোদ আলী বলেন,“সাজ্জাদ খুবই অসহায় একটি ছেলে। বাবা নেই, প্রতিবন্ধী মা ও ছোট ছোট সন্তান নিয়ে সে ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাত। ভ্যান চুরি হওয়ায় সে একেবারে পথে বসেছে। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষ যদি পাশে দাঁড়ান, তাহলে এই পরিবারটি বেঁচে থাকার একটা সুযোগ পাবে।
” আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আনু মোল্লা বলেন, “সাজ্জাদের ভ্যান চুরির ঘটনায় আমরা সবাই ব্যথিত। এমন একজন গরিব মানুষ কীভাবে চলবে, সেটা ভাবতেই কষ্ট হয়। আমরা সবাই মিলে তার জন্য সহযোগিতা চাই।”
 এদিকে মথুরাপুর গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী ত্রিবেণী ইউনিয়নের পদমদি গ্রামেও সম্প্রতি একের পর এক ভ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই অন্তত ১০টি ভ্যান চুরি হয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে এসব চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে। তারা দ্রুত চোর চক্র শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

জেলা প্রতিনিধি, ঝিনাইদহঃ পুলিশের কাছ থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ঝিনাইদহ থেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় রুবেল হোসেন নামে একজন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযানে ২৪শের জুলাই আন্দোলনের সময় থানা থেকে লুট হওয়া একটি মাল্টি ইমপ্যাক্ট সাউন্ড গ্রেনেড, একটি ককটেল ও একটি র‌্যান্ডম মুভ টিয়ার গ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার সদর উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের নাশকতা সৃষ্টির আশংকার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
সদর উপজেলার উদয়পুর এলাকায় ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি চৌকশ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে একাধিক মামলার আসামি রুবেল হোসেনের বসতবাড়ি থেকে উল্লিখিত বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত টিয়ারগ্যাস গ্রেনেডটি বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবহৃত সরঞ্জামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো গত বছরের জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনকালীন সহিংসতার সময় বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-সরঞ্জামের অংশ।
অভিযান শেষে জব্দকৃত সব আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হরে।
মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭, ৫জনই দিন মজুর নারী
সুজন হোসেন রিফাত মাদারীপুর প্রতিনিধি: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ নারীসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার ঘটকচর মিলগেটে   এ ঘটনা ঘটে।  এদিকে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন গোপালগঞ্জের  কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পাইকেরবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তারা সবাই নিজ গ্রাম থেকে মাদারীপুরে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।
কোটালিপাড়ার  পাইকেরবাড়ী গ্রামের কলেজছাত্রী পান্না বাড়ৈ জানান, আমাদের গ্রামের পলাশ বাড়ৈর স্ত্রী দুলালী বাড়ৈ (৪২), জয়ন্ত বাড়ৈর স্ত্রী অমিতা বাড়ৈ (৫৩), প্রকাশ বাড়ৈর স্ত্রী আভা বাড়ৈ (৬৫), রঞ্জিত বাড়ৈর স্ত্রী শেফালী বাড়ৈ (৪৫) এবং পংকজ বিশ্বাসের স্ত্রী কামনা বাড়ৈ (৫০) ভোরে দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান।
তিনি আরও বলেন, সেখান (মাদারীপুর) থেকে ইজিবাইকে ফেরার পথে ঘটকচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই আমাদের গ্রামের কিষানি।
মাদারীপুরের য়ারা নিহত হয়েছেন তারা হলেন মাদারীপুর  শহরের কলেজ রোড এলাকার নেছার উদ্দিন মুন্সির ছেলে পান্নু মুন্সি (৫০), সদরের  কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার জসিম ব্যাপারীর ছেলে সাগর বেপারী (২২)। আহতদের মধ্যে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. রুমান (২৫)-এর নাম পাওয়া গেছে।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুরের হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, মাদারীপুর থেকে সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রাজধানী ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার ঘটকচর মিলগেট এলাকায় আসলে সামনে থাকা একটি ইজিবাইককে চাপ দেয়। ঘটনাস্থলে ইজিবাইকের তিন যাত্রীসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বেশ কয়েকজন। খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ। আহতদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরো একজন। দুর্ঘটনায় পর বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল।
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রেকার দিয়ে বাসটি পাড়ে তোলা হয়েছে। পানির মধ্যে থাকা ইজিবাইকটি তল্লাশি চলছে। পুরো ডোবা তল্লাশির পরে জানা যাবে এখনো ভেতরে কোন মরদেহ রয়েছে কিনা। ফায়ার সার্ভিস এর ডুবুরি দল পানিতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
Theme Created By Uttoron Host