এই বাংলায় আমি তোমাদের মাঝে বার বার কি বিস্ময়,
ফিরে ফিরে আসি নতুন ফসলের চেতনায়।
আধুনিক সময়ের প্রয়োজনে আমি দৃঢ় দীপ্ত আলোতে হই উদয়!
এই পৃথিবীর গ্রাম নগর ও বাংলার ঘরে ঘরে জীবন অধিকার,
আদায়ে আমি নব নব বার্তা নিয়ে আসি মানবতার দীর্ঘ সংস্কার।
আমি কখনো দক্ষ শ্রমজীবী লাঙ্গল হাতে কৃষণ স্বপ্নে বিভোর!
আমি কখনো অভিজ্ঞ কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া দিনমজুর।
এই জন্মভূমি,এই মৃত্তিকার পথে পথে এক মহা-সংগ্রামী।
দীপ্ত চেতনার আলো ছড়াই জনম জনম সভ্যতার কল্যাণ আগামী-
অধিকার আন্দোলনে মিছিল করি ন্যায্য দাবী আদায় জীবন মরমী।
আমি মুহূর্তে মুহূর্তে জেগে উঠি দৃঢ় দীপ্ত দেশপ্রেমিক,
আমি আঁধারের গভীরে গিয়ে সন্ত্রাস ভাঙ্গি দূর্নীতি ও লুটেরা মাদক।
আমি জনপদ ও রাজপথে সু-ষমবন্টন সাম্য চেতনার শুভ নীতি,
আমি নতুন সংস্কার সময়ের দাবিতে রক্তাক্ত হেঁটে যাই জীবন প্রগতি।
আমি আহত বিক্ষত বেদনা ব্যথায় নিত্য ইতিহাস গড়ি মুক্তির।
আমি সংস্কার যুদ্ধে শহীদের তালিকায় বীর যোদ্ধা বার বার!
আমি শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ মাইলফলক স্মৃতিশৌধ দীপ্তকর।
আমি ইতিহাসের মহাযোদ্ধা,আমি দক্ষ রাজনীতিবিদ মহাকালের আলো আঁধার!
আমি যুগে যুগে,আমি শতকে শতকে,আমি সহস্র বছর পর পর!
ফিরে আসি,কঠিন কালের অশুভ অশনি অন্যায় অবিচার ভেঙে অধিকার,
আবার কখনো ব্যাভিচারের বিরুদ্ধে জেগে উঠি সাহসী এক তীক্ষ্ণ তরবারি!
আমি নতুন রূপান্তরে যুদ্ধ করি ভেঙে চুরে ন্যায়পরায়ণ মানবতার।
আমি অতীতে মাতৃভাষা অধিকার আন্দোলনে লড়েছি দেশপ্রেমিক।
আমি তরুণ যৌবনে স্বাধীনতার রক্তাক্ত লড়াইয়ে বীর মুক্তিযুদ্ধো বাংলার!
আমি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি রাখাল রাজার দেশপ্রেম উত্তরসূরী।
আমি পুনরায় আরেকটি অর্থনৈতিক যুদ্ধের পরিবর্তন ও সংস্কার-
মুক্ত বার্তা বহনকারী নতুন দিনের নিপুণ মাঝি কাণ্ডার।
আমি বরযখ ইল্ল্যীয়ান ও সিজ্জিনের মধ্যবতী রহস্যভেদ দূর বহুদূর-
আমি রূহের জগত থেকে ফিরে আসি ঘরবাঁধি মানবতার সংসার।
আমি পৃথিবী পুলসিরাতের পথে পথে হেঁটে যাই বিশ্বাসী আগামীর।
আমি কালে কালে শোষিতদের কথা ভেবে ভেবে থমকে দাঁড়াই সংস্কার!
আমি প্রগতির বাসনায় লড়াই করি আধুনিক সেবা কল্যাণ সভ্যতার।
আমি সমকালের বিপ্লবী আলোকপ্রাপ্ত ডিজিটাল জ্ঞান ছড়াই চমৎকার।
আমি অসৎ আমলা,কঠিন সন্ত্রাস ও ভণ্ড রাজনীতিবিদদের,
রুখে দেই নিষ্ঠুর ও নির্মম আঘাতে আঘাতে ধ্বংস বারংবার!
আমি প্রতিরাতে চন্দ্র ও নক্ষত্রের সাথে আসমানে জেগে উঠি ঐ বহুদূর!
আমি ন্যায়পরায়ণ প্রতিঘাত ও প্রতিরোধকারী নিহারিকা শিখা ঝংকার।
আমি রাত শেষে নতুন প্রভাতের সূর্যকিরণ নব রত্ন ভাণ্ডার!
আমি দূর পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে হেঁটে যাই দৃঢ় দীপ্ত অধিকার-
আমি নব্য সংস্কারক ও মহাসাম্যের পথে পথে নির্মাণে দক্ষ কারিগর।
যেখানেই অন্যায় মাদক নেশা দূর্নীতি সন্ত্রাস ব্যাভিচার,
সেখানেই আমার জীবন ও নব জন্ম ন্যায়ের সংস্কার,
সেখানেই আমার রক্তক্ষয়ী কঠিন যুদ্ধ প্রতিরোধ গড়ি সভ্যতার।
আমার সাথে জেগে ওঠে নজরুল জীবনানন্দ সুকান্ত শামসুর রাহমান,
কালে কালে জেগে ওঠে বিশ্ব কবি রবি ঠাকুর বাউল শাহ্ লালন।
আমি ত্রিশ লক্ষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার রক্তে মিশে মিশে মহা-দেশপ্রেমিক,
আমি অমর ভাষা সৈনিকের দীপ্ত জয়গান রফিক শফিক সালাম বরকত বিবেক।
আমি যুদ্ধ শেষে বীরাঙ্গণা বাঁশীর সুর ও গানে বিদগ্ধ জননীর বুকে ধ্যান!
আমি কৃষাণ ও কৃষাণীর রূপ ধরে পৃথিবীতে আবাদ করি শস্য উৎপাদন!
আমি শতকের পর নতুন শতাব্দীতে মধুময় রাখালের সুরেলা বাঁশির ধ্বনি!
আমি প্রেমশিখা পরম আনন্দে স্বর্গ শান্তির স্থিতি গড়ি অমরত্ব গুণে।
আমি সাগর পাড়ি দেওয়া প্রজ্ঞাময় চৈতন্যে নিপুণ অভিজ্ঞ নাবিক,
কখনো আমি বিজ্ঞ ও অবিস্মরণীয় মাঝী নদীতে বহমান কারুকার্যে অবাক!
কর্ম শেষে চলে যাই ঐ দূর বহুদূর আসমান ঠিকানায় নির্বাক!
মনে রেখো জুলুম সন্ত্রাস ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে আমি কঠিন প্রতিবাদ,
এক ন্যায়পরায়ণ সাহসী সৈনিক আগামী খামারে ফসল আবাদ।
আমি বার বার ফিরে ফিরে আসি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাম্য বিপ্লবী!
আমি বার বার ফিরে ফিরে আসি জুলুমের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধকারী স্বভাব!
আমি প্রতিটি ঘাটে ঘাটে ও বন্দরে বন্দরে নোঙর করি দারিদ্রমুক্তির।
আমি বার বার ফিরে ফিরে আসি আদবে গৌরবে শান্তির!
আমি বার বার ফিরে ফিরে আসি জীবন জন্ম নতুন!
আমি বার বার ফিরে ফিরে আসবো সেবা ও কল্যাণে পরিবর্তন।
আমি আবার ফিরে আসবো এই পৃথিবীতে,এই মৃত্তিকায়!
আমি পুনরায় ফিরে আসবো এই মাঠে রূপ রস জনে বৈচিত্র্যময়,
আমি আধুনিক অভিজ্ঞতার কর্মে আবার ফিরে আসবো সনাতন পরিচয়!
আমি পূণঃ পূণঃ ফিরে আসবো এই ইছামতী এই মধুমতি সোনার বাংলায়!
আমি ফিরে ফিরে আসবো এই পদ্মায়,এই মেঘনায়,এই যমুনার সৌন্দর্য হেথায়!
আমি ফিরে ফিরে আসবো এই জন্মভূমি এই মাতৃভূমির আলোতে উদয়।
আমি সংগ্ৰামী,আমি বিপ্লবী, আমি দেশপ্রেমিক আমি চেতনাতে বিশ্বময়।