লালমনিরহাটে ড্রাগন চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন আবু তালেব
মোঃ গোলাপ মিয়া, আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
Update :
শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১, ৬:৪৪ অপরাহ্ন
Share
মোঃগোলাপ মিয়া, আদিতমারী(লালমনিরহাট) প্রতিনিধি: ড্রাগন বাগান পরিদর্শনে আসেন দুই বিচারক। কারখানার শ্রমিক এর ড্রাগনের বাগান দেখতে পরিদর্শনে আসেন কুড়িগ্রাম জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা জজ অম্লন কুসুম জিষ্ণু , রংপুর জেলা দায়রা জজ আলী আহমেদ । কারখানা শ্রমিক থেকে এখন ড্রাগন চাষী হয়ে উঠেছেন আবু তালেব ।লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলা কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী গ্রামের এর কারখানার শ্রমিক আবু তালেব ২০১৯ সালে নিজের ৬৫ শতাংশ জমিতে ২হাজার ৫২ টি ড্রাগন চারা রোপণ করেন। কোন প্রকার সহযোগিতা ছাড়াই নিজের অর্থায়নে এ পর্যন্ত মোট ৫ লক্ষ টাকা খরচ করেছে ইতি মধ্যেই ড্রাগন চারা ফল আসা শুরু করেছে । কোন প্রকার রাসায়নিক ওষুধ ছাড়াই নিজের তৈরিকৃত জৈব সার প্রয়োগ করেন ড্রাগন বাগানে। কারখানার শ্রমিক পুরো জেলাকে ড্রাগন চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবু তালেব। ড্রাগন বাগানটির দেখতে বিভিন্ন স্থান হতে লোকজন ভিড় জমায় ড্রাগন বাগানে। বাগানের মালিক আবু তালেব জানায় একটি ড্রাগন গাছ বছরে দশ মাস ফল দেয় এর আয়ুকাল ১২ বছর পর্যন্ত আবু তালেব জানায়। তিনি বলেন ফরিদপুর কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সময় তখন থেকেই আগ্রহ জন্মে ড্রাগন চাষের জন্য । আর সেই স্বপ্ন কে কাজে লাগিয়ে নিজের জমিতে ড্রাগনের চারা রোপণ করেন। ড্রাগন ফল বিক্রয় করা শুরু করে দিয়েছে এবং পাশাপাশি প্রায় ২ হাজার ড্রাগনের চারা মজুত রয়েছে। আবু তালেব জানায় ড্রাগনের চারা প্রতি পিস ৫০ টাকা দরে বিক্রয় করছেন চারা হতে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আসবে । ড্রাগন ফল একটি পুষ্টিকর খাবার তিনি জানান পুষ্টিগুণের কারণে আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্থানে ড্রাগন ফল। ড্রাগন ফলের গাছটি কান্ড থেকে পাতাহীন ড্রাগন গাছ জন্মায় ।