প্রান্তিকজনগোষ্ঠির সুবিধাভোগীদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে জন প্রতি এককালীন ১৮ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ২৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ২৪৪ জন কে চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রওশন আলী মন্ডল ও মাঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
জানা যায় লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে গত অর্থবছরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এককালীন ১৮ হাজার টাকা করে প্রদান করেন সমাজসেবা কর্মকর্তা উক্ত অর্থ বছরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের ২৫০ জন কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে সমাজসেবা কার্যালয়ে তাদেরকে ৩ দিনের প্রশিক্ষনের শেষ ২৫০ জনের মধ্যে ২৪৪ জন কে চেক প্রদান করলেও ৬ জনের চেক দেওয়া হয়নি । চেক না দেওয়ার বিষয়ে ভুক্তভোগীগন অভিযোগ করে বলেন নিম্ন ব্যক্তিদের কাছে থেকে চেক প্রতি ৯ হাজার করে টাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ দাবি করেন দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় তাদের চেক দেওয়া হয়নি । ভাদাই ইউনিয়নের নুরু ইসলাম সারপুকুর ইউনিয়নের নগেন চন্দ্র রায়, ফরহাদ ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন আব্দুল লতিব, নাসিমা সহ আরও ১ জন।
যে সকল প্রশিক্ষনার্থীদের নামে চেক প্রদান করা হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশই প্রান্তিক জনগোষ্ঠিক মধ্যে পরে না, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণের তালিকা অনুসন্ধান করলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে স্থানীয় সচেতন মহল দাবি করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের কর্মচারী বলেন যে সকল ব্যক্তি সমাজসেবা অফিসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে শুধু তাদের তিনদিনের প্রশিক্ষণের জন্য নাম এন্ট্রি করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে , সমাজসেবা অফিসে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী উক্ত অফিসে চাকরি করার সুবাদে স্থানীয় ক্ষমতার বলে সকল অনিয়ম করে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও রওশন আলী মন্ডল এর সঙ্গে কথা হলে অভিযোগ বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন তিনি কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি করেননি ভুক্তভোগীগন ও উপজেলা সচেতন মহল বলছেন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্বাচনী এলাকার লালমনিরহাট ২ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ দাবি জানাচ্ছে।