সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

লালমনিরহাটে ”অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান” কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ

রকিবুল ইসলাম রুবেল, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
Update : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন

জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে) অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে আদিতমারী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের ”অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান” কর্মসূচিতে (২য় পর্যায়) আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বায়তুন নুর জামে মসজিদ হইতে আকাশ কুড়ির সিমানা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। প্রাক্কলিত মাটির কাজের পরিমান ধরা হয় ৪০ হাজার ৮ শত ঘনফুট। উপকার ভোগীর সংখ্যা ধরা হয় ৩৪ জন।
৪০ দিন মেয়াদি রাস্তা সংস্কার কাজ ১০ এপ্রিল শুরু হয়ে ৯ জুন শেষ করা কথা থাকলেও এখানে কোন মাটি ভরাটের কাজ করাই হয়নি।
গত ১০ এপ্রিল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম কয়েকজন উপকার ভোগী সাথে নিয়ে বায়তুর নুর জামে মসজিদের পাশে সাইন বোর্ড টানিয়ে কাজ করা এমন কিছু ছবি নিয়ে চলে আসেন। তারপর আর কোন দিন ঐ এলাকায় যাননি।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রকল্প কমিটির সভাপতি মেম্বার ছামছুন্নাহার কাজ বন্ধ করে দেন।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছামছুন্নাহার মিলে কাজ শেষ দেখিয়ে ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা খরচের হিসাব দেখান।
সরেজমিন তদন্তে গিয়ে দেখা যায, সাইন বোর্ড টানানো। আগে রাস্তাটি যেমন ছিল তেমনি আছে। কোথাও কোন মাটি ফেলানোর চিহ্ন নেই। অথচ এই দুর্নীতি বাজ কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম ৪০ হাজার ৮ শত ঘনফুট মাটি কাটা হয়েছে বলে ফাইল পত্র ঠিক করে রাখেন। সঠিক সময় রাস্তাটি সংস্কার না করার কারনে সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
বায়তুল নুর মসজিদ এলাকার আসিক বলেন,শুধু সাইন বোর্ড দেখি কাওকে কাজ করতে দেখিনি। একদিন দেখলাম প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কয়েকজন লোক দিয়ে মাটি কাটার ছবি নিচ্ছে। তারপর সাইন বোর্ড ঝুলিযে চলে গেল।আর কোনদিন তিনি আসেননি। এই রাস্তার কাজ দেখেই বুঝা যায় সমস্ত টাকা তারা ভাগা ভাগি করে নিয়েছে।আমাদের রাস্তা দিয়ে চলতে যে কষ্ট তা থেকেই গেল।
অতি দরিদ্রদের জন্য কর্ম সংস্থান কর্মসূচীর প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান মেম্বার ছামছুন্নাহার বলেন,ঐ রাস্তার মাটি কাটা সম্ভব নয় কেননা কেও মাটি দিতে চায় না। তাই আর কাজ করা হয়নি।
তাহলে ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা কোথায় গেল এমন প্রশ্নের জবাবে মেম্বার ছামছুন্নাহার বলেন, এটাতো প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ভাল জানে আপনারা তার কাছে যান।
আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সেল ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনসুর উদ্দিন বলেন, এ ধরনের কাজ করার সুযোগ নেই। যদি কেও করে থাকে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host