রোববার (১১ জুলাই) সকালে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে বসেছে মহিষখোচায় গরু-ছাগলের হাট। ভোর থেকে চলে ১১ টা পর্যন্ত হাট। তবে হাট ইজারাদার নিজেকে বাঁচাতে কৌশলে মূল হাট থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে নিজস্ব জায়গায় বসিয়েছেন গরু-ছাগলের হাট। আবার হাট ইজারাদার পাহাড়াও রেখেছেন কতিপয় ব্যক্তিদের
উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বারঘড়িয়া থেকে মহিষখোচা হাটে গরু কিনতে এসেছে মহির উদ্দিন ও মোজাফফর হোসেন। তাদের হাতে বা মুখে নেই কোন মাস্ক। মাস্ক নেই কেন?এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারা এক পর্যায়ে এ প্রতিনিধির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বলেন,হাটে যত মানুষজন এসেছে তাদের কারো মুখে মাস্ক নেই,এটা চোখে দেখেন না।
এদিকে কালীগঞ্জ থেকে এ হাটে ৪টি গরু বিক্রয় করতে এসেছেন হযরত আলী নামের একজন গরু ব্যবসায়ী। এসময় কথা হয় এ প্রতিনিধির সাথে। তিনি জানান, গরু বিক্রি করতেন খুব ঝামেলায় আছি। তিনি আরো বলেন,কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় কোথাও গরুর হাট বসতে দিচ্ছে না প্রশাসনের লোকজন। এখানে সুযোগ হয়েছে তাই গরু নিয়ে এসেছি।
মহিষখোচা হাটের ইজারাদার মোদাব্বের হোসেন চৌধুরীর সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিনের সাথে গরুর হাট বসার বিষয় কথা হলে তিনি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর বলেন,স্বাস্থ্য বিধি না মেনে গরুর হাট বসে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।