তাদের ভাষ্য মতে, এসব বালু এখন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ট্রাক যোগে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে লাভবান হচ্ছেন বালু খেকোরা আর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকাবাসী।চৌরাহা এলাকার বাসিন্দা আমজাদ হোসেন বলেন, কি আর বলব ভাই। প্রতিদিন এসব ড্রেজার মেশিন দিয়ে যেভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নিমিষেই নদী তীরের বসবাসরত পরিবারগুলো বাড়ীঘর বিলীন হয়ে যাবে। ফলে সরকারের সফল কর্মসূচি ম্লান হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, বালু খেকোরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছি না।এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, কিছু সরকারদলীয় নেতার নামে তিস্তা নদী থেকে প্রতিদিন ট্রাক যোগে বালু বিক্রির হিড়িক পরে গেছে। এসব ট্রাক সকাল থেকে গভীর রাত অবদি চলছে।আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জি,আর সারোয়ার বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে ।লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, তিস্তা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার কোনো সুযোগ নেই। এসব বালু দিয়ে সি সি ব্লক তৈরি করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এসব বালু দিয়ে ব্লক তৈরির কাজ করা যাবে না। পাটগ্রামের বালু দিয়ে এসব সিসি ব্লক তৈরি করতে হবে।