প্রথমবারের মতো কক্সবাজারের ইনানি পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ সম্মেলন। এতে যোগ দিচ্ছে ২৮ দেশের ৪৩টি যুদ্ধ জাহাজ। আন্তর্জাতিক এই নৌ মহড়ার আয়োজনে যোগ দিয়ে ইনানি পয়েন্টে নবনির্মিত নেভি জেটিরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশের সমুদ্রসীমানায় প্রথমবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক নৌ প্রদর্শনী। কক্সবাজারের ইনানি পয়েন্টের সাগর তীরে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে ৯ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজন। আগামীকাল বুধবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া, একই সময় উদ্বোধন করা হবে নবনির্মিত নেভি জেটি। সম্মেলনে যোগ দিতে ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরের তীর এসে পৌঁছেছে চীন, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জামার্নি, ইতালি, সৌদি আরবসহ ২৮ বন্ধু দেশের ৪৩ যুদ্ধজাহাজ। এছাড়া, এই রিভিউতে অংশ নেবে নেভির ৪টি হেলিকপ্টার ও দুইটি মেরিটাইম পেট্রোল। এ নিয়ে সকাল থেকে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয় প্রস্তুতি মূলক নানা মহড়া। গভীরসমুদ্রে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযানসহ নানা কসরত উপস্থাপন করা হয়।
দেশের পতকা নিয়ে বাংলাদেশসহ বন্ধু প্রতীম দেশগুলো নদী ও সাগরের পানি দূষণ রোধে সচেতনতা মূলক মহড়া প্রদর্শন করেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নৌবাহিনীর সদস্যরা। এরপর দেশের নৃত্যশিল্পীরা দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন। ইনানী বিচে জেটি নির্মাণের ফলে তীরের সঙ্গে যুদ্ধ জাহাজগুলোর যোগাযোগ সহজ হবে। অসুস্থ হলে নাবিকদের তাৎক্ষণিক তীরে আনাসহ ভোগান্তি কমবে যুদ্ধ জাহাজগুলোতে জরুরি রশদ সরবরাহে। নৌবাহিনী বলছে, এবারের ফ্লিট রিভিউতে গভীর সাগরে যৌথ উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযানে জোর দেয়া হবে। ফলে দেশগুলোর মধ্যে শুধু বন্ধুত্ব আর ভ্রাতৃত্বই সহজ হবে না, দমন করা যাবে সমুদ্র চোরাচালানি, মানব পাচার ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস।
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.