সনতচক্রবর্ত্তী:ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় কাউসার হোসেন খান (৪০) নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যে কাউসারের জ্যাকেট, শার্ট-প্যান্ট, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও একটি মোটর সাইকেল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
রোববার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান।
এর আগে শনিবার সকালে চরভদ্রাসনের চর হরিরামপুর ইউনিয়নের বিশাই মাতুব্বরের ডাঙ্গীতে কাউসারের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কাউসার উপজেলা সদরের এমপিডাঙ্গী গ্রামের জালাল খানের ছেলে। তিনি বালু এবং কাঠের ফার্নিচারের ব্যবসা করতেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শাহজাহান বলেন, গ্রেফতার কিশোর একজন ইলেক্ট্রনিক মিস্ত্রি। কাজের সুবাদে তার সঙ্গে কাউসারের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে কিশোরকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যান কাউসার। সেখানে তাকে অনৈতিক সম্পর্কের জন্য বাধ্য করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। কাউসার তার পকেট থেকে ছুরি বের করে ভয় দেখালে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে কাউসারের গলায় ছুরির আঘাত লাগে। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ওই কিশোর কাউসারকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, কিশোর হত্যার পর বাড়ি ফেরার পর তার মা-বাবা গায়ের রক্ত মাখা কাপড় দেখে জিজ্ঞাসা করেন। সে তাদের সবকিছু জানায়। তখন তার বাবা জামা কাপড় ধুয়ে ফেলেন। কাউসারের জ্যাকেট বসতবাড়ির মাটির মধ্যে পুঁতে ফেলেন এবং মোবাইল ফোন পুড়িয়ে ফেলেন। আর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি বাড়ির পাশে পুকুরের মধ্যে ছুড়ে ফেলেন। কাউসারের মোটরসাইকেলটি ফরিদপুরের চানমারিতে রেখে আসেন।
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article. https://accounts.binance.com/it/register-person?ref=P9L9FQKY