কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি না নিয়ে সরকারি জায়গার জীবন্ত গাছ কেটে বিপাকে পড়েছেন।
জীবন্ত গাছ কাটার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে কতৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে। অবশেষে চেয়ারম্যান বাধ্য হয়ে বিক্রি করে দেয়া গাছের ১২ টি গুল (খন্ড) ইউপি চত্বরে ফেরত নিয়ে আসেন।
জানাযায়, গত রোববার কোন প্রকার দরপত্র ছাড়াই নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে থাকা দুইটি জীবন্ত লম্বু কাঠের গাছ কেটে বিক্রি করে দেন চেয়ারম্যান মোঃ হাছেন আলী ।
সরকারী গাছ জীবিত অবস্থায় কাটার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নেয়ার নিয়ম থাকলেও চেয়ারম্যান তা প্রতিপালন করেননি বলে জানা গেছে।
পূর্বানুমতি এবং দরপত্র ছাড়াই জীবন্ত দুটি গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের দৃষ্টি গোছর হলে, ঘটনাটি পরদিন ১৩ সেপ্টম্বর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হয়।
বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে প্রশাসনিক নির্দেশে চেয়ারম্যান মঙ্গলবার রাতে তরিঘরি করে ছ,মিল চত্বরে রাখা ১২টি গুল (খন্ড) ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে এসে জমা করেন।
জানা গেছে, তীব্র গরমের সময় নাওডাঙ্গা ইউপি চত্বরের এ গাছ দুইটির ছায়ায় আশ্রয় নিত অনেক মানুষ। গাছ দুটি মাঠের সৌন্দর্য ছিল। কিন্তু চেয়ারম্যান ওয়াশব্লক নির্মাণের অজুহাতে ওই গাছ দুটি স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ছায়েদ আলীর কাছে বেআইনিভাবে বিক্রি করেন। এরপর ছায়েদ আলীর লোকজন গাছ কেটে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কাঠ ব্যবসায়ী ছায়েদ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে, গাছ দুইটির ১২টি খন্ড চেয়ারম্যানের নির্দেশে চকিদারের মাধ্যমে ইউপি চত্বরে ফেরত দেয়া হয়েছে বলে জানান।
নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে গাছের গুল ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। কাগজপত্র ঠিক করে প্রকাশ্যে নিলাম দেয়া হবে। এ ব্যাপারে কোন ফৌজদারী মামলা হয়নি বলে জানা গেছে।