মোঃ গোলাপ মিয়া লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের চন্দনপাট গ্রামের দুলাল মিয়ার পুত্র আদম আলী (১৭)এবং কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের কমলাটারী গ্রামের মিনারা বেগমের মেয়ে আজিরুন বেগম (১৮) দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে আসছেন।গত তিনদিন ধরে বিয়ে দাবী নিয়ে মেয়ের বাড়িতে ছেলে আদম আলী অবস্থান নিলে স্থানীয় মৌলভীর মাধ্যমে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন মেয়ের পরিবারের লোকজন । ছেলের বিয়ের বয়স না হওয়ায় স্থানীয় কাজী রেজিস্ট্রি ( কাবিননামা ) করেননি। ছেলে এবং মেয়ের সম্পর্ক মেনে নিতে আদম আলীর অভিববকগণ রাজি হচ্ছে না। এক পর্যায়ে ছেলের অভিভাবকগণ স্থানীয় দেওয়ানি মাতব্বরদের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা বিনিময়ে ছেলেকে ফিরিয়ে আনার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন ।ছেলের পক্ষের মাতব্বর দেওয়ানি ১০ হাজার টাকা নগত বুঝিয়ে নিয়ে মেয়ের বাড়ীতে গিয়ে জানতে পারে স্থানীয় মৌলভী দ্বারা বিয়ে পড়ানো কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে ।

ছেলে ও মেয়ের উপস্থিতিতে তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছেলে এবং মেয়ের ইচ্ছাতেই মৌলভী ধারা বিয়ে সম্পূর্ণ হয়েছে। এসময় মেয়ের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন উভয় পক্ষের লোকজন। সেই সাথে ছেলে এবং মেয়ের মুখের কথা শুনে চুক্তি নেওয়া লোকজন ছেলে আদম আলী না আসায় ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসেন দেওয়ানী মাতাব্ব্বরগণ । গত তিন দিন থেকে ছেলের পক্ষে এবং মেয়ের পক্ষে লোকজন দফায় দফায় বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে ছেলের পক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন উক্ত যৌতুকের টাকা দিলে ছেলের পক্ষ থেকে বিবাহ মেনে নেবে বলে জানায়।মেয়ের পক্ষ থেকে যৌতুকের টাকা দিতে অপারগত প্রকাশ করলে স্থানীয় দেওয়ানি মাতাব্ব্বরগণ মেয়ের পক্ষের কাছে যৌতুকের টাকা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন । গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আমীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে শুনেছি ।