ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশের ন্যায় ঝিনাইদহে শীতের তব্রিতা বেড়েছে। দেশে বেশকয়েটি জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলছে। ঝিনাইদহের পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে প্রায়ই দেখে যাচ্ছে সর্বনিম্ন তাপ মাত্রা। ঝিনাইদহে সর্বনিম্ন তাপতাত্রা না হলেও ১১ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রায় নেমে আসছে। পৌষের প্রথম রাত থেকেই ঝিনাইদহ অঞ্চলে ঘন কুয়াশা শুরু হয়েছে। এরপর গত সোমবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে শৈত্য প্রবাহ। দিনের বেলায় মাঝে মধ্যে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তাতে মনে হচ্ছে কোন তাপ নেই, সাথে রয়েছে উত্তরের বাতাশ। সব মিলিয়ে পথচারী চলাচল, বৃদ্ধ, শিশু ও কৃষকরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। এখন কৃষকের বোরো রোপনের ভরা মৌসুম, সকাল হলেই ধানের চারা তুলে কৃষকদের ছুটে যেতে হয় বোরো রোপনে, তার আগে পানি দিয়ে জমি তৈরীর কাজ এভাবে পুরাটা সময় কাটে কৃষকের মাঠে মাঠে। এছাড়া নিম্ন আয়ের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুদের শীতে জুবুথুবু অবস্থা, বষস্করা ঠান্ডায় হাঁছি, কাশি এ্যাজমা রোগে ভুগছে এছাড়া শিশুদের বেড়েছে ঠান্ডা জনিত ডায়রিয়া। সব মিলিয়ে ঝিনাইদহ শীতের প্রভাবে সকলের প্রায় ঘর বন্ধি অবস্থা। গতকাল বৃহস্পতি বার আবহাওয়া অফিস সূত্রমতে জানা যায়, ঝিনাইদহের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে এসেছে জেলায় (২১-১১) ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। তবে দু একের মধ্যেই এই তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলেও জানিয়েছে। এই তীব্র শীত আর কুয়াশায় মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় পড়েছে প্রভাব। কুয়াশার কারণে ঝিনাইদহের অন্যতম অর্থকরী মৌসুমী ফসল আলু চাষ ও ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এধরণের শীত আর ঘন কুয়াশা আরও কয়েকদিন দীর্ঘায়িত হলে ধানের চারা রোপন ব্যাহত হবে, বিপাকে পড়তে পারে কৃষক।