খুলনা প্রতিনিধি:খুলনা জেলার খালিশপুর আবাসিক এলাকায় ৯ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ধর্ষিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার নগরীর খালিশপুর থানার মদিনাবাগ আবাসিক এলাকায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা এ ব্যাপারে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী সোমবার সকালে বন্ধু মারুফের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়। দৌলতপুর শামীম হোটেলে অবস্থানের সময় মারুফ তার বন্ধু ও ফুফাত ভাই মেসবাহকে ফোন দেয়। ফোনের বিপরীত থেকে জানানো হয় ভাবীকে নিয়ে ঘুরতে আয়। মারুফ ফোন পেয়ে কিশোরীকে নিয়ে বেলা ১১টার দিকে ইজিবাইকে করে দৌলতপুরের পাবলা সবুজ সংঘ মাঠের দিকে যায়। তখন মেজবাহ ও তার অপর দুই বন্ধু নগরীর পাবলা সবুজ সংঘ মাঠ এলাকার সুজন মোল্লার ছেলে মো. ইমন মোল্লা (২০) এবং পাবলা বৈরাগীপাড়া এলাকার মো. মহারাজ চৌকিদারের ছেলে মো. শিমুল চৌকিদার (২০) তাদের নিয়ে খালিশপুর মদিনাবাগ এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছে মারুফের কাছে মেসবাহ টাকা দাবি করে। তার কাছে টাকা না থাকায় তাকে আটকে রেখে মেসবাহ, ইমন ও শিমুল সাথে থাকা কিশোরীকে একের পর এক ধর্ষণ করে।পরে মারুফ ও তার বান্ধবীকে মারপিট করে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন; আসামি মেসবাহ মারুফের বন্ধু ও ফুফাতো ভাই । ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা মঙ্গলবার থানায় মামলা করলে আসামি তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে গ্রেফতারকৃতরা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।