মহম্মদপুর মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর এলাকায় গ্রাম্য আধিপত্য নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার সকালে দু-পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ- সময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বাড়িঘরে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে কালিশংকরপুর এলাকায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলতু মোল্যা ও পান্নু মোল্যার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আচ্ছি। গত সোমবার সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী লাহুড়িয়া হাট থেকে ফেরার পথে কালিশংকরপুরে এর- পান্নু সমর্থক ওহাব ও আজিজারকে আলতু মোল্যার সমর্থকরা মারধর করে। এ- ঘটনার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয় এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা থামিয়ে দেয়। পরে ওই ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ২০ ব্যাক্তি আহত হয় এবং ৭ টি ঘর-বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে নজরুল, আমিনুর, হাফিজার, মনিরুল, শরিফুল , ইরান, ওয়াদুদ, ইকবাল, নজরুল কে নড়াইল হাসপাতালে , সাইদ মোল্যা, আক্তার মোল্যা, শিবলি, দেলোয়ার, নাজমুল-ইছহাক মোল্যাকে মাগুরা এবং বাকিদের মহম্মদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন এবং পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান , কালিশংকরপুর এলাকায় আলতু ও পান্নু মোল্যার সমর্থকদের মধ্যে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার নিয়েই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ- ব্যাপারে প্রত্যাক্ষদর্শী আয়ুব হোসেন, রহিমা বেগম সহ কয়েকজন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে আলতু মোল্যা তার লোকজন নিয়ে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে পান্নু সমর্থক কয়েকজনের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র রামদা, ঢাল সরকি, বল্লব নিয়ে একে অপরের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ৭ টি বাড়িঘরে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে এবং এ- সময় কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
বিষয়টি নিয়ে আলতু মোল্যা ও পান্নু মোল্যার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
মহম্মদপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) (অ:দ:) মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন. পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন এবং পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।