ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধাঃ পলাশবাড়ীতে জনশুমারী ও গৃহ গণনা নিয়ম বর্হিভূতভাবে উৎকোচ গ্রহণে লোক নিয়োগের অভিযোগ এনে ৪নং বরিশাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২২ সালে সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস কর্তৃক জনশুমারী ও গৃহ গণনার জন্য ১ম ব্যাচে লোক নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু উক্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি এবং অনেকেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়নি এমনকি অনেকেই এসএসসি পাসও করেনি এবং একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও জোনাল অফিসারগণ যোগসাজসের মাধ্যমে সুকৌশলে উৎকোচ গ্রহণ করে নিয়ম বর্হিভূতভাবে প্রশিক্ষণ ও ট্যাব প্রদান করেছেন বলে অভিযোগে জানা যায়। এতে করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারী ও গৃহ গণনা কার্যক্রম ব্যাহত হবে বলে জানান। তাই ৪নং বরিশাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ৯ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এব্যাপারে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফারুক হোসেনের সঙ্গে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, চেয়ারম্যান এগুলো যাচাই-বাছাই করার কে? ওনাকে এগুলোর দায়-দায়িত্ব দেয়া হয়নি। তার জন্য সভাপতি মহোদয় আছে। আমিও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশুনা করেছি। আপনারা সঠিক খবর লেখেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, কেউ যদি অভিযোগ করে সেটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।