রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

শৈলকুপায় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের ওজনে কারচুপি ও দরপতন, কৃষকদের বিক্ষোভ

রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
Update : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২, ২:২২ অপরাহ্ন

রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পেঁয়াজ বিক্রির সময় ব্যবসায়ীদের ওজনে কারচুপি ও দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে চাষীরা। পেঁয়াজ বিক্রি না করে ফেরত নিয়ে গেছে অধিকাংশ কৃষক। মঙ্গলবার সকালে শৈলকুপা পাইকারী পেঁয়াজের হাটে এ ঘটনা ঘটে।
কৃষকদের অভিযোগ মঙ্গলবার সকালে শৈলকুপা পাইকারী বাজারে প্রতিমণ পেঁয়াজ ৭’শ থেকে ৮’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আমদানীর অজুহাতে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম কমিয়ে দিয়েছে। সেই সাথে বাড়ী থেকে মেপে আনলেও পেঁয়াজ বিক্রির পর ব্যবসায়ীরা প্রতিমণে ৫ থেকে ৬ কেজি বেশি নিচ্ছে। ব্যবসায়ীদের কারচুপির প্রতিবাদ ও বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানী বন্ধের দাবীতে তারা এই কর্মসূচী পালন করে। সেসময় তারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দেয়।
সাহেব আলী নামে এক কৃষক বলেন, ৬ মণ পিয়াজ এনেছি। একবস্তা থেকে ব্যবসায়ীরা ৫/৬ কেজি মেরে দেচ্ছি। একে তো দাম পাচ্ছিনা তার উপর ব্যবসায়ীরা পিয়াজ বেশি নিয়ে নেচ্ছে। এমন করলে আমরা বাঁচবো কি করে। কয়দিন আগেও পেঁয়াজের দাম ছিল ২ হাজার টাকা। এখন সেই পিয়াজ ৭/৮’শ টাকা করে বিক্রি হচ্চে। আমরা চলব কি করে।
নেয়ামত আলী নামের আরেক কৃষক বলেন, এক মণ পিয়েজে ৪ কেজি পিয়াজ ওরা মারে নেই। এটা প্রশাসন বন্ধ করেছে তাই ব্যবসায়ীরা একসাথে যুক্তি করে ১ হাজার টাকার পিয়াজ ৬’শ টাকা করে দাম করছে। আমরা পিয়েজ বিক্রি করব না।
বিক্ষোভের কারণে বন্ধ হয়ে যায় পেঁয়াজ বিক্রি। অধিকাংশ কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি না করে বাড়িতে ফেরত নিয়ে যায়।
শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম জানায়, শৈলকুপার কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল পেঁয়াজ, রসুন বাজারে বিক্রি করতে আসলে আড়তদার, ব্যাপারীরা প্রতি মণে ৪ থেকে ৫ কেজি করে কম দেয়। এছাড়া সুইপার প্রতি মণে ৩ কেজি, হিজরা প্রতি মণে ৫০০ গ্রাম করে পিয়াজ-রসুন নিয়ে নেয়। যেকারণে কৃষকরা বিক্ষোভ করেছে।
বিক্ষোভের খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কানিজ ফাতিমা লিজা ও পৌর মেয়র কাজী আশরাফুল আজম মঙ্গলবার সকালে ঁেপয়াজ ও রসুন হাটে হাজির হয়। পরে ঘটনার সত্যতা খুজে পাওয়া গেলে সব অনিয়ম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপ কৃষকরা উপকৃত হয়েছে এবং ভীষণ খুশি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host