রেজাউল হক, নড়াইল: বাঙ্গালীর ইতিহাসে ঘাতকেরা বার বার আগষ্টকেই বেছে নিয়েছিলো দেশপ্রেমিকদের হত্যার জন্য। ১৯০৮ সালের আজকের দিনটিতে ১১ আগষ্ট ব্রিটিশ ঘাতকেরা ফাঁসির মাধ্যমে খুন করেছিলো কিশোর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুকে। ‘একবার বিদায় দে মা, ঘুরে আসি…..’
অগ্নিযুগের বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকি মিলে গাড়িতে ব্রিটিশ বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড আছে ভেবে বোমা ছুঁড়েছিলেন। ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড অন্য একটা গাড়িতে বসেছিলেন, যে কারনে তিনি বেঁচে যান। প্রফুল্ল চাকি গ্রেপ্তারের আগেই আত্মহত্যা করেন। ক্ষুদিরাম গ্রেপ্তার হন। বিচারে তার ফাঁসির আদেশ হয়।
ফাঁসি হওয়ার সময় ক্ষুদিরামের বয়স ছিল ১৮ বছর ৭ মাস ১১ দিন– তিনি কনিষ্ঠতম বিপ্লবী হিসেবে সম্মানিত। ফাঁসির মঞ্চে বীরের মূদ্রায় হেটে উঠে যাওয়া। সেই পথ ধরে অজস্র রক্তপাত মৃত্যু- অচল আধুলির মতো অপরাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম-ইতিহাসের অনিবার্য স্লোগান– ‘ইয়ে আজাদী জুটা হ্যায়, লাখো ইনসান ভুখা হ্যায়।’
ইতিহাসের নিরন্তর লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় জনকের উত্তোলিত তর্জনী বেয়ে নেমে আসা স্বাধীনতা।
শ্রদ্ধা, ভালোবাসা অগ্নিযুগের কিশোর ক্ষুদিরাম বসু।