সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ৫:১৫ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীর হাতিয়ায় রবিন্দ্র চন্দ্র দাস নামে এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা। দলীয় কোন্দল ও পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের।
বুধবার রাত ২টার দিকে খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত রবিন্দ্র চন্দ্র দাস চরঈশ্বর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতিষ চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য। এছাড়াও তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

জানা গেছে, মোটরসাইকেল যোগে চরঈশ্বর থেকে ওছখালী নিজের বাসায় আসতেছিল রবিন্দ্র চন্দ্র দাস। পথে তাদের মোটরসাইকেলটি চরঈশ্বর প্রধান সড়কের খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদের বাড়ির সামনে আসলে একদল দুর্বৃত্ত তাদের লক্ষ্য কর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে গতিরোধ করে। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা আল আমিন পেছন দিকে দৌঁড়ে পালিয়ে গেলেও হামলাকারীদের হাতে আটকা পড়েন রবিন্দ্র। হামলাকারীরা প্রথমে রবিন্দ্রকে গুলি ও পরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে এবং তার হাতের কব্জি ও রগ কেটে ফেলে যায়। পরে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রবিন্দ্রের মরদেহ উদ্ধার করে।

রবিন্দ্রের সঙ্গে থাকা আল আমিন বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে আসার পথে আজাদ চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে চেয়ারম্যানের ভাতিজা সোহেল, ছেলে অমি, রহিম ডাকাত ও নাজিমসহ কয়েকজন আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এ সময় মোটরসাইকেল রেখে পালানো চেষ্টা করলে তারা রবিন্দ্রকে ধরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।

চরঈশ্বর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাশেদ উদ্দিন জানান, আব্দুল হালিম আজাদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার একক স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ১১ জন মেম্বার এক সঙ্গে লিখিতভাবে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেয়। এ নিয়ে আজাদ চেয়ারম্যান হত্যার হুমকি দেয়। এর জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদ বলেন, বর্তমানে ঢাকায় আছি। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমি, আমার পরিবারের কোনো লোকজন জড়িত নেই। একটি চক্র ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, রাতে রবিন্দ্র চন্দ্র দাস ও আল আমিনসহ আরো দুইজন তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে ওছখালি আসার পথে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host