রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দোকানে তেল আনতে গেলে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে হাত পা মুখ বেধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার ১৩ নম্বর উমেদপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ধর্ষণকারী করিব হোসেন(১৮) বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ধর্ষণের স্বীকার শিশুটির বাবা জানান, তিনি গরুর ব্যবসা করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার কালারহাট থেকে আজ ৩টায় বাড়িতে এসে বাড়ির পাশে মাঠে কাজে যান। বাড়িতে রান্নার কাজের জন্য তেলের প্রয়োজন হলে বিকেল সাড়ে ৪টায় বাড়ির পাশের মুদি দোকানে যায় তার মেয়ে। দোকানদার তার মেয়ে একা পেয়ে দোকানের মধ্যে হাত পা ও মুখ বেধে পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে আসলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেলে বাহাদুরপুর গ্রামে এক শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। ধর্ষণকারীকে আটকে জন্য চেষ্টা চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আরিফুর রহমান বলেন, ধর্ষণের স্বীকার শিশুটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।