শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

 প্রকৃতির এক অপরুপ সৌন্দর্য কচুরিপানা ফুল 

অলোক রায়, স্টাফ রিপোর্টার
Update : বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩, ৪:০৯ অপরাহ্ন

আলোক রায় স্টাফ রিপোর্টার: মাগুরায় অতি পরিচিত কচুরিপানা ফুলে মানুষের দৃষ্টিনন্দিত হয়ে উঠেছে । গ্রামীণ জনপদের এই ফুলের নাম কচুরিপানা ফুল। জেলাটির বিভিন্ন  অঞ্চলে  নদী ও জলাশয়গুলোতে এই ফুল ফুটেছে। এটিকে বলা হয় জলজ উদ্ভিদ ও বহুবর্ষজীবী ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। জলাশয়ের যেখানে সেখানে মুক্ত ও ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। জানা যায়, এটি ৩০ বছরের পরে ও এর বংশ বিস্তার ঘটতে সক্ষম।
এই ফুলের এক জন সৌন্দর্য প্রেমিক ব্রাজিলিয়ান পর্যটক ১৮০০ শতাব্দীর শেষের দিকে বাংলায় কচুরিপানা নিয়ে আসেন। তারপর দ্রুত বড় হতে থাকে জলাশয়ে। গ্রামাঞ্চলে কচুরিপানা পানা  ফুলকে অনেকের কাছে হেনা ফুল বলেও চেনেন। এছাড়া কোন কোন জায়গায় এটিকে কস্তুরী ফুল বলেও পরিচিতি আছে। এসব ফুল  ফুটেছে  মাগুরার নবগঙ্গা নদী সহ  বিভিন্ন জলাশয়ে। ফোটা ফুল গুলো কোন সুবাস না ছড়ালেও   মুগ্ধ করছে প্রকৃতিকে।  এলাকাবাসী জানান,
 কচুরিপানা সহজে বংশ বিস্তার করে। ক্ষতিকর মনে হলেও কৃষি ক্ষেত্রে এর যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কচুরিপানা থেকে এখন জৈব সারও তৈরি হয়। ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আর্থিক ভাবে লাভ বান হচ্ছে।
 কৃষকদের কচুরিপানা থেকে জৈবসার উৎপাদনে প্রশিক্ষণ দিলে জৈবসার ব্যবহারে যেমন কৃষক উপকৃত হবে, অন্যদিকে বিদেশে   রাসায়নিক সারের উপর  নির্ভরশীলতা কমবে। অনেক জায়গায় কৃষকেরা কচুরিপানা উঠিয়ে জমিতে ফসল চাষে ব্যবহার করেন।
কচুরিপানা থেকে তৈরি হচ্ছে জৈব সার। ফলে কৃষক ফসল উৎপাদনে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে। কৃষি বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরি করতে সময় লাগে ৭০ দিন কিন্তু কচুরিপানা  থেকে ৫৫ দিন সময় লাগে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host