অলোক রায় স্টাফ রিপোর্টার: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চুড়ারগাতী গ্রামে কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষের কয়েক’শ শতাংশ জমি জোরপূর্বক ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে চুড়ারগাতি গ্রামের কাজী শওকত ওসমান ও কাজী সিরাজুল ইসলাম নামের দু’ব্যক্তি বিরুদ্ধে।
জমি ফিরে পেতে মধুমতী নদীর তীর সংলগ্ন চরে এসব জমি ঘিরে থাকা জমির মালিক দাবী করা চুড়ারগাতী, আকসারচর, বহলবাড়ী, গয়েশপুর, বকসিপুর গ্রামসহ ও স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। মঙ্গলবার বিকালে মধুমতী নদী সংলগ্ন চুড়ারগাতি এলাকায় মানববন্ধন করেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন । মানববন্ধন কর্মসূচিতে ভূমিদস্যু জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে বিচারের দাবী করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা ।
তারা ব্যানার ও বুকে প্লেকার্ড নিয়ে মানববন্ধন করেন ।
এসময় বেদখল হওয়া জমির মালিক দাবিকারী পরিবার রুহুল আমিন, অখিল, ফারুক হোসেন, মসিয়ার, সাজ্জাদ হোসেন, টগর আলী, রবিউল ইসলাম, মুরাদ, রিপন, লতিফ হোসেন, মিরাজ আহমেদ, শেখ মোঃ জহুরুল ইসলাম, আব্দুল হাকিম বিশ্বাস, শাহাদত আলী, সহ আরো অনেক ভুক্তভোগী পরিবার জমি উদ্ধারের জন্য প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
জানাগেছে, ইতোপূর্বে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা জমি ফিরে পেতে একাধিক মানববন্ধন কর্মসূচি ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সালিশ বৈঠক করলেও তাতে সূরাহ হয়নি। বরং জমির মালিক দাবি করা লোকেরা তাদের দখল হওয়া জমি ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন সময় হুমকি ধুমকি সহ জমি থেকে কোটি টাকার মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রয় করা জমির ফসল জবরদখল বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে জমি দখলে রাখা এছাড়া জমির কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করে জমি দখলের অভিযোগ ওঠে কাজী শওকত ওসমান ও কাজী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় জানান,
অভিযোগকারী ব্যক্তিদেরকে লিখিতভাবে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি শোনামেলা করে ব্যবস্থা নেওয়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য শনিবার (১ এপ্রিল) সকালে জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় লোকেদের উপস্থিতিতে বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে ওই এলাকায় এক সালিশ বৈঠক ডাকলেও কাজী শওকত ওসমান অভিযুক্তরা উপস্থিত হননি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর সাজ্জাদ হোসেন, কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইরান হোসেন, চেয়ারম্যান বাবু বিশ্বাস,সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । সূত্র জানায়,
কাজী শওকত ওসমানের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে ২৪ একর১০ শতক জমি জবরদখল করে ভোগ করছে।যার মধ্যে চুড়ারগাতী মৌজার ৬২ সালের রেকর্ড মূলে ১৭ একর ১০ শতক জমির মালিক দাবী করেছেন, সোনাউল্লাহ ফকির, আফসার ফকির ও আজিজ ফকির এর পরিবারের সদস্যরা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।