শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

সামান্য বৃষ্টিতেই হরিণাকুণ্ডু সড়কের বেহালদশা, জনদুর্ভোগ চরমে

মোঃ শাহানুর আলম, স্টাফ রিপোর্টার
Update : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩, ৬:৩১ অপরাহ্ন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিভিন্ন পাকা সড়কে ইটভাটায় ব্যবহৃত ট্রাক থেকে মাটি পড়ে থাকা মাটি বৃষ্টির পানিতে কাদায় পরিণত হয়ে বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল চালক ও স্থানীয় পথচারিরা। কাদার কারণে সড়ক দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা দুস্কর হয়ে পড়েছে। যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঝিনাইদহ-হরিণাকুণ্ডুর প্রধান সড়কের কোথাও কোথাও, উপজেলার সড়াতলা থেকে মানদীয়া বাজার, আমতলা হয়ে চাদপুর ইউনিয়নের জিন্দার মোড় পর্যন্ত সড়ক কাঁদাপানিতে একাকার। এই কাঁদার কারণে যান চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পথচারীরা খালি পায়েও সড়কে চলাচল করতে পারছে না। বিশেষত দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চালকেরা। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে তারা মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। দুরদুরান্তের যাত্রিদের সড়কের পাশে বসবাসকারী ও ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ফসলী জমির মাটি কেটে কতিপয় ইটভাটার অবৈধ ট্রাক্টর,লাটাহাম্বা, ট্রলি পাকা রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলের কারনে এই কাঁদার সৃষ্টি হয়েছে। ইটভাটার ট্রাক্টরের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বহন করা মাটি সড়কে পড়ে। বেশ কিছুদিন ধরে ধুলায় টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছিল। এখন বৃষ্টি হওয়াতে পাকা রাস্তাগুলো কাদাময় হয়ে পড়েছে। চলাচলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বেড়েছে দুর্ভোগ।
রাস্তায় চলাচল করা মটরসাইকেল আরোহী আমর বীন মারুফ জানান, ইটভাটার কাজে নিয়োজিত মাটিবাহী যানবাহন থেকে রাস্তায় পড়ে যাওয়া মাটি রোদের সময় রাস্তায় শুকিয়ে ধুলা আর বর্ষায় কাদা হয়ে থাকে। দেখে বোঝার উপায় থাকে না এটা কার্পেটিং রাস্তা। এতে বছর জুড়েই এই সড়কে চলাচল করতে পোহাতে হয় ভোগান্তি।
তবে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কগুলোতে যদি এখনই কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এবং কিছুদিনের মধ্যেই এই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুম তো আছেই। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষ্মিতা সাহা বলেন, ঝিনাইদহ থেকে হরিণাকুণ্ডু প্রধান সড়ক এখন অনেকটা পরিষ্কার, উপজেলার অন্যান্য রাস্তা পরিস্কার করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে, না হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host