কম্বোডিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কও চীনের প্রভাবকে কেন্দ্রীভূত করতে অবদান রেখেছে। কম্বোডিয়া-মার্কিন সম্পর্কের একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কম্বোডিয়ার পক্ষ থেকে ‘আঙ্কোর সেন্টিনেল’ যৌথ সামরিক মহড়া বাতিল করা। এ ছাড়া ২০১৭ সালের শেষের দিকে কম্বোডিয়া ন্যাশনাল রেসকিউ পার্টি (সিএনআরপি) ভেঙে দেওয়া।
জাকার্তা পোস্ট জানিয়েছে, চীনা হস্তক্ষেপের কারণে কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চীন হলো কম্বোডিয়ার আমদানির বৃহত্তম উৎস। ২০২০ সালে মোট আমদানির ৩১ শতাংশ হয়েছে সেখান থেকে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়ার বৃহত্তম রফতানির উৎস। একই বছরে সমস্ত রফতানির ২৫.২ শতাংশ রফতানি হয়েছে দেশটিতে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কম্বোডিয়ার সম্পর্কের অবনতি এবং ভবিষ্যতে আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ওয়াশিংটনের রপ্তানি বিধিনিষেধের কারণে কম্বোডিয়ার অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। যার ফলে কম্বোডিয়ার সম্পদের ওপর চীনা বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হবে।
দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা আরও বাড়াতে এবং আসিয়ান দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে চূর্ণ করতে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগের ফলে আরও বেশি সংখ্যক ঘাঁটি তৈরি হবে। এএনআই।