মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পেকান উপকূলে রহস্যময় ‘মহাকাশ বস্তু’, জনমনে চাঞ্চল্য জনসভায় ঘুমিয়ে পড়ার কথা অস্বীকার ট্রাম্পের গাইবান্ধায় ঘন কুয়াশায় ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ বেগম জিয়ার সমাধিতে নাতনি জাইমাসহ স্বজনদের শ্রদ্ধা ঝিনাইদহে ভায়ের ভুয়া দলিলে জমি বিক্রির অভিযোগে ৯০বছরের বৃদ্ধ ভায়ের ভোগান্তি খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল, স্বাক্ষরের জায়গায় আঙুলের ছাপ মনোনয়নপত্র জমা দেননি রুহুল আমিন হাওলাদার ও কাজী ফিরোজ রশিদ তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, ফের উত্তেজনা তবু আমি কবিতা লিখি -মো: মতিয়ার রহমান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের নির্দেশ: রাজৈরে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

কম্বোডিয়ায় চীনা নৌঘাঁটি

Reporter Name
Update : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ২:৩৮ অপরাহ্ন

বৈশ্বিক রাজনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। কম্বোডিয়ায় চীনের নির্মিতব্য নৌঘাঁটিই হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেইজিংয়ের আধিপত্যবাদী স্বার্থ প্রতিষ্ঠা ও পূরণের সর্বশেষ উদাহরণ।

চীন এবং কম্বোডিয়া উভয় দেশই তাদের দক্ষিণ অংশে বেইজিং-অর্থায়নকৃত ‘রিম নৌ ঘাঁটি’র আপগ্রেডের প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিম নৌ ঘাঁটিতে এই প্রকল্পের সূচনা। কম্বোডিয়ার কর্মকর্তারা বলেছেন, যে বন্দরটি সংস্কারের জন্য চীন থেকে সহায়তা ব্যবহার করবে। তবে পশ্চিমারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, বেইজিং থাইল্যান্ডের উপসাগরে একটি সামরিক ফাঁড়ি তৈরি করতে চাচ্ছে।

জাকার্তা পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্বোডিয়াকে চীনের পছন্দের পেছনে মূল কারণগুলো হলো কম্বোডিয়ায় অগণতান্ত্রিক হুন সেন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্কের রাজনৈতিক পটভূমি, সেইসঙ্গে চীনা বিনিয়োগ এবং ব্যবসার জন্য উপযুক্ত অর্থনৈতিক পটভূমি।

এ ছাড়া ঐতিহাসিক পটভূমিও চীনের পক্ষে রয়েছে। কারণ দেশটির ভিয়েতনামের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা রয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বন্দ্বে তারা বেইজিংয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী।

কম্বোডিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কও চীনের প্রভাবকে কেন্দ্রীভূত করতে অবদান রেখেছে। কম্বোডিয়া-মার্কিন সম্পর্কের একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কম্বোডিয়ার পক্ষ থেকে ‘আঙ্কোর সেন্টিনেল’ যৌথ সামরিক মহড়া বাতিল করা। এ ছাড়া ২০১৭ সালের শেষের দিকে কম্বোডিয়া ন্যাশনাল রেসকিউ পার্টি (সিএনআরপি) ভেঙে দেওয়া।

জাকার্তা পোস্ট জানিয়েছে, চীনা হস্তক্ষেপের কারণে কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চীন হলো কম্বোডিয়ার আমদানির বৃহত্তম উৎস। ২০২০ সালে মোট আমদানির ৩১ শতাংশ হয়েছে সেখান থেকে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়ার বৃহত্তম রফতানির উৎস। একই বছরে সমস্ত রফতানির ২৫.২ শতাংশ রফতানি হয়েছে দেশটিতে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কম্বোডিয়ার সম্পর্কের অবনতি এবং ভবিষ্যতে আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ওয়াশিংটনের রপ্তানি বিধিনিষেধের কারণে কম্বোডিয়ার অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। যার ফলে কম্বোডিয়ার সম্পদের ওপর চীনা বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হবে।

দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা আরও বাড়াতে এবং আসিয়ান দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে চূর্ণ করতে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগের ফলে আরও বেশি সংখ্যক ঘাঁটি তৈরি হবে। এএনআই।
 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host