সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

বোয়ালমারীতে পাকা রাস্তায় ফসল শুকানোয় দুর্ঘটনা  ঘটতে পারে

সনত চক্রবর্তী
Update : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১, ৩:০৬ অপরাহ্ন
All-focus

সনত চক্রবর্ত্তী বোয়ালমারী ফরিদপুর : বোয়ালমারী উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় পাকা সড়কের উপর দিয়ে ফসল শুকানোর কাজ চলছে, পাকা সড়কের অধিকাংশই চৈতালী ফসল শুকানো ও মাড়াইয়ে জন্য ব্যবহার করার ফলে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
ডাল, গম, সরিষাসহ বিভিন্ন ধরণের চৈতালী ফসল শুকাতে মানুষ এখন বাড়ির পাশে রাস্তাকেই ব্যবহার করছে। ফলে ওইসব রাস্তায় চলাচলকারিরা প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় গাড়ির চাকায় ফসল জড়িয়ে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কিন্তু এসব দেখার যেন কেউ নেই। উপজেলা বিভিন্ন সড়কেই শুকনা মৌসুমে রাস্তায় চৈতালী শুকাতে দিয়ে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করছে এক শ্রেণীর মানুষ। অনেক স্থানে রাস্তার উপর কোমর পর্যন্ত ফসলে ঢেকে থাকে। ফলে রাস্তার ভাঙ্গাচোরা না দেখে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অনেকে। শুকাতে দেয়ার জায়গা নেই এমন অজুহাত দেখিয়ে একটি মহল এভাবে সড়কের উপর মৃত্যুফাঁদ তৈরী করছে।
বোয়ালমারী থেকে ফেলারনগর  সড়কের রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া সময়  ইজি বাইক চালক করিম সেক  জানান- রাস্তায় নেড়ে দেয়া ফসলের কারণে গাড়ি নিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। অধিকাংশ সময়ই গাড়ির চাকা ও পিনিয়ামে ফসল জড়িয়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় রাস্তায় গাড়ি থেকে নেমে  ফসল ছাড়িয়ে তারপর আবার চালাতে হয়। এতে তাদের গাড়ি যেমন ক্ষতি হয় তেমনি দূর্ঘটনারও সম্ভবনা তৈরী হয়।
তিনি আরো বলেন, সড়কের পাশের লোকজন গুলো রাস্তার উপর এমন ভাবে ফসলাদি বিছিয়ে রাখে সামান্য ব্রেক করলেই চাকা পিছলে যায়। ওভারটেক করতে গেলে দুর্ঘটনার ঝুকি আরো বাড়ে। তিন চাকার যান রাস্তায় উল্টে যায়। মালবোঝাই গাড়ীর নিয়ন্ত্রন রাখা কঠিন হয়ে যায় বলে জানান। এই সড়ক দিয়ে যাওয়া সময় এক মোটর সাইকেল চালক বলেন , সারা বছর ধরেই এভাবে দেখছি।ফসলের  গাছসহ রাস্তায় বিছিয়ে রাখায় গাড়ির চাকা যেমন এলোমেলো চলছে, আবার চাকার সাথে জড়িয়ে  পড়ে, তেমনি প্রচন্ড ধুলা ও খড়কুটায় সাধারন মানুষের শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ছে। এদিকে বৃষ্টি হলেই সড়কে পড়ে থাকা অবশিষ্ট অংশ পচে ভয়াবহ পিচ্ছিল ধারন করে। অনেক চালক ও পথচারিরা  বলছেন, এ সমস্ত কাজ নিষেধ করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে মার খাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এ সমস্ত সড়ক গুলোকে মারাইয়ের কাজে বাড়ীর উঠানের মতো ব্যাবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়রা আরো বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সড়কগুলো নিরাপদ রাখার মতো কোথাও কোন কর্তৃপক্ষ নেই। এতে করে প্রতিনিয়তই ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে কোন না কোন দূর্ঘটনা। এসব দূর্ঘটনায় আহতদের বেশির ভাগই হাত-পা ভেঙ্গে চিরদিনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। সরজমিন গিয়ে  এ ব্যাপারে সড়কের আশ-পাশের কৃষকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, সড়কে ফসল মাড়াই ও শুকানোয় কারোর কোন সমস্যা হচ্ছে না। আর পাকা রাস্তায় ফসল মাড়াই করা ও শুকানো খুব সুবিধা। এতে গাড়ির চাকায় দ্রুত মাড়াই হয়ে যায়। শুকানোও যায় খুব দ্রুত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host