খুলনা প্রতিনিধি।। ডুমুরিয়ায় পিতা ও ছেলে ৮ একর রেকর্ডীয় জমির মালিক হয়েও ভূমিহীন সেজে সাবেক এক ইউপি সদস্য প্রায় সাড়ে ৪ একর খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা দখল, পাকা বাড়ি ঘর নির্মাণ সহ ভোগদখল করে আসছে। এতে একদিকে যেমন এলাকার প্রকৃত ভূমিহীনরা বঞ্চিত হয়েছে অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বিলে যাতায়াতের পথ না পেয়ে চাষাবাদে ব্যহত হচ্ছে। আশু এ বন্দোবস্ত দলিল বাতিল পূর্বক প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বন্টনের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার শেখ আব্দুল মজিদ মিলনায়তনে উত্তরণ আমার প্রকল্পের সহায়তায় উপজেলা ভূমি কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এলাকাবাসীর পক্ষে শেখ সাকিল। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলার শরাফপুর গ্রামে হাবিবুর রহমানের ছেলে নুর মোহাম্মদ শেখ যে ভূয়া ভূমিহীন সেজে ৪ একর খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়েছে, এতে এলাকার প্রকৃত ভূমিহীনরা বঞ্চিত হয়েছে এমন অভিযোগ এনে এলাকাবাসী খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা ভূমি অফিসকে তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী সার্ভেয়ার কর্তৃক দুই দফায় তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হয়।দাখিলকৃত প্রতিবেদনে নুর মোহাম্মদ একজন চিহ্নিত ভূমিদস্যু, মামলাবাজ ও ভূমিহীন নন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে নুর মোহাম্মদের পিতা নিজে ৮ একর বেশী সম্পত্তির মালিক, সুতরাং তারা কেহই ভূমিহীন নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এমতাবস্থায় ভূয়া ওই ভূমিহীনরা তথ্য গোপন করে সাত একর খাসজমি দখলে নিয়ে বসে আছে। এমনকি জনসাধারণের চলাচলের পথটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে কৃষকদের চাষাবাদ ও গবাদিপশু বিলে বিচরণ করতে না পেরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ নিয়ে এলাকাবাসী কথা বলতে গিয়ে একটি মিথ্যা মামলারও শিকার হয়েছেন। এখন এলাকাবাসী তার ভয়ে তটস্থ। আশু ওই সম্পত্তি বন্দোবস্ত বাতিল পূর্বক প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বন্টনের জন্য যথার্থ মহলের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। এ সময় উপ¯ি’ত ছিলেন উপজেলা ভূমি কমিটির সভাপতি শেখ সেলিম আকতার স্বপন, প্রকল্প প্রোগ্রাম অফিসার সিরাজুল ইসলাম, সেন্টার ম্যানেজার আব্দুল আলিম গাজী, ভূমিহীন ওয়াজেদ আলী খাঁ,আছিয়া বেগম,আনোয়ারা খাতুন, ইকরামুল শেখ,কল্যানী রায়সহ অনেকে।