অলোক রায়, মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়ন এর পাল্লা এলাকায় প্রেমের সম্পর্ক সূএ ধরে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ২০ বছর বয়সী এক যুবতী কন্যাকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ থানায় মামল হয়েছে। জানাগেছে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাল্লা ঘাট এলাকায় এ-ঘটনা ঘটেছে। মহম্মদপুর থানায় যুবতী কন্যা নিজে বাদী হয়ে, ধর্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে যার নং-১৪ ২১/৮/২০২২ইং সূএজানায়, ভুক্তভোগী নিকট থেকে গত ৫ বছর যাবত পাল্লা চরপাড়া এলাকার শুকুর মেম্বার এর পুত্র মুদি ব্যবসায়ী সবুজ (২২) নামের যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।
তবে বছর খানেক ঐ যুবতী কন্যা ঢাকায় থাকার কারণে তাদের প্রেমে ভাটা পড়ে। এক বছর বাদে প্রেমিক সবুজ বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে পুনরায় প্রেমের সম্পর্ক শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রেমিক সবুজ যুবতী কন্যাকে বিভিন্ন স্থানে শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতো।
তিনি আরো জানায়,ঘটনার রাতে প্রেমিক সবুজ ওই যুবতী কন্যাকে বিয়ে করবে বলে তাকে দেখা করতে বলে। সবুজের কথামত যুবতী কন্যা পাল্লা ঘাট এলাকায় আসার পর সবুজ তার মুদি দোকানে মধ্যে তাকে নিয়ে রাত যাপন করে ও ধর্ষণ করে। ভোর রাতে যুবতী সবুজকে বিয়ের কথা বললে সবুজ ও যুবতীর মধ্যে কথা কাটাকটি হয়।
এক পর্যায়ে লোক জানাজানি হলে, সবুজের পরিবারের সদস্যরা এসে দোকানঘর থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে চোর সাব্যস্ত করে গাছের সাথে বেধে রেখে।
এবং সবুজকে পালিয়ে যেতে সাহায্য
করে।পরে একই গ্রামে বসবাসকারী সবুজের খালু মফিজার মোল্যার মাধ্যমে ধর্ষিতাকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
এখবর ক্ষতিগ্রস্থ যুবতীর এলাকায় জানাজনি হলে লোকলজ্জার ভয়ে তার মা তাকে সবুজের খালু মফিজারের বাড়িতে রেখে যান। শুক্রবার রাতে স্থানীয়দের মাাধ্যমে ঘটনাটি শালিশের মাধ্যমে মিমাংশার চেষ্টা করেও কোনও সমাধান হয়নি। শনিবার ধর্ষিতা নিজে থানায় এসে পুলিশের সহায়তা গ্রহণ করে।
ধর্ষক প্রেমিক সবুজের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা শুকুর মোল্যা ও মাতা রেখা বেগমের সাথে কথা বললে তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করেন।
ধর্ষক সবুজ বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
এ- ব্যাপারে মহম্মদপুর থানার পরিদর্শক মোঃ আশরাফুল ইসলাম (অঃদাঃ) বলেন, থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে করেছে।
মেয়েটি ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার আসামীকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।