মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Profil Wingman ™ Produziert Das Dating-Profil helfen kannst Platziere deinen Finest Self Forward Suggerimenti Tell The Woman You Cheated ‘ধর্ষণ’ করেছিলেন শাকিব খান, ফেসবুকে বোমা ফাটালেন মিলি কুড়িগ্রামে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা কুড়িগ্রামে প্রশ্ন ফাঁসের চাঞ্চল্যকর মামলায় আদালত আরো দুই শিক্ষককে দুই দিনের রিমান্ড যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ এর রোগ মুক্তি কামনায় কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব এর উদ্যেগে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে উদ্দীপন-প্রোব হেলথকেয়ার’র স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত  ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫ টাকা সোমবার সাংবাদিক তোয়াব খানের দাফন মুজিববর্ষে প্রায় ২ লাখ পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

সেই জজ মিয়ার নোটিশ

Reporter Name
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২, ৫:২৮ অপরাহ্ন

২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার খালাস পাওয়া আসামি জজ মিয়া ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন।

তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১১ জন বরাবরে এ নোটিশ দেন।

আরও যাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি, পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), তৎকালীন আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, তৎকালীন এএসপি আব্দুর রশিদ, তৎকালীন  এএসপি মুনশি আতিকুর রহমান এবং তৎকালীন বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন।

নোটিশে ওই ঘটনার জন্য জড়িত ব্যক্তিদের দায় নির্ধারণের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাদের দায় পাওয়া যাবে তাদের কাছে ওই ক্ষতিপূরণ আদায় করে জজ মিয়াকে দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ জড়িত ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি জব্দের আইনগত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নোটিশে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ১৫ দিন সময় দেয়া হয়েছে, অন্যথায় হাইকোর্টের রিট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে দলের নেতাকর্মীসহ ২২ জন নিহত হন।  এ ঘটনায় ২০০৫ সালের ৯ জুন নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে ধরে আনা হয় ‘জজ মিয়া’ নামের ওই যুবককে। তাকে ১৭ দিন রিমান্ডে নেয় সিআইডি। ২০০৫ সালের ২৬শে জুন আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে জজ মিয়া বলেছিলেন, পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বড় ভাইদের নির্দেশে তিনি অন্যদের সঙ্গে গ্রেনেড হামলায় অংশ নেন। ওই বড় ভাইয়েরা হচ্ছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, জয়, মোল্লা মাসুদ, মুকুল প্রমুখ।

পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে নতুন করে এই মামলার তদন্তের উদ্যোগ নেয়। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১১ই জুন এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। জজ মিয়া দাবি করেন, তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জবানবন্দি আদায় করা হয়।  এরপর অব্যাহতি দেয়া হয় জোট সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হওয়া জজ মিয়াকে। পাঁচ বছর তিনি কারাগারেই ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host