রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা ৫ ক্রেন

Reporter Name
Update : বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে চীন থেকে দেড়শ’ কোটি টাকা মূল্যের আরও দুইটি গ্যান্ট্রি এবং তিনটি আরটিজে ক্রেন আনা হয়েছে। এনিয়ে গত দেড় মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বহরে ৩০০ কোটি টাকার ৪টি গ্যান্ট্রি এবং ৬টি আরটিজে ক্রেন যুক্ত হলো। এসব অত্যাধুনিক ক্রেন দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৩৫টি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব।

চীনের সাংহাই বন্দর থেকে যাত্রা করে ১৬ দিন সাগর পাড়ি দিয়ে গ্যান্ট্রি ও আরটিজে ক্রেনবাহী বিশেষ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের কান্ডারী নামের তিনটি টাগবোটের সহযোগিতায় চীনের পাতাকাবাহী জিন চ্যান হাই ইয়াং নামের জাহাজটিকে এনসিটির পাঁচ নম্বর ইয়ার্ডে ভেড়ানো হয়। এ জাহাজে করে দেড়শ’ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি ক্রেন আনা হয়েছে।

এ গ্যান্ট্রি ক্রেনগুলো বন্দরের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করবে বলে জানান সাইফ মেরিটাইম লিমিটেডের সহকারী মহা ব্যবস্থাপক শায়লা মাহমুদ।

দুই দশক আগে চট্টগ্রাম বন্দরে মাত্র দুটি গ্যান্ট্রি ক্রেন স্থাপন করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে বন্দরে গ্যান্ট্রি ক্রেনের সংখ্যা হয়েছে ১৮টি। এর মধ্যে শুধুমাত্র এনসিটি ইয়ার্ডেই আগে ১২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন স্থাপন করা হয়েছে। নতুন দুটি গ্যান্ট্রি ক্রেনও স্থাপন হবে এখানেই। বাকি চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন রয়েছে সিসিটি ইয়ার্ডে।

এ বিষয়ে সাইফ মেরিটাইম লিমিটেডের চীফ অপারেটিং অফিসার আবদুল্লাহ জহির বলেন, প্রত্যেকটি বন্দরের তিনটি জিনিস- ইকুপমেন্ট, ইয়ার্ড ও জেটি গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু চট্টগ্রাম বন্দরের ইকুপমেন্ট দিন দিন বাড়ছে তাই চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতাও দিন দিন বাড়ছে।

গত এক বছর ধরে চট্টগ্রাম বন্দর হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০৪টি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় চারটি গ্যান্ট্রি এবং ৬টি আরটিজে ক্রেন বন্দরে আনা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের মধ্যে বাকি যন্ত্রপাতিও বন্দরের বহরে যুক্ত হলে সক্ষমতা অনেকাংশে বাড়বে বলে মনে করেন বন্দর কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক বলেন, জাহাজের ওয়েটিং টাইম কমবে। জাহাহের টার্ন এরাউন্ড টাইম কমবে। সর্বোপরি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। এতে আমদানি ও রফতানিকারকরা উপকৃত হবেন।

বাংলাদেশের জাতীয় রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে। এখন লক্ষ্য হচ্ছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি অর্জন করতে হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সচল রাখতে হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এসব গ্যান্ট্রি ক্রেনের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়বে হলে আশা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

উল্লেখ্য, সাধারণ একেকটি ক্রেন প্রতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২টি কন্টেইনার ওঠানামা করালেও গ্যান্ট্রি ক্রেনে অন্তত ৩৫টি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা যায়। প্রতিটি গ্যান্ট্রি ক্রেনের দাম ৬০ কোটি টাকা এবং আরটিজে ক্রেনের দাম সাড়ে ১২ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host