রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

লাভিভে ৫টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করলো রাশিয়া

Reporter Name
Update : সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২, ৫:২৬ অপরাহ্ন

ইউক্রেনজুড়ে আবারও হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। দুই সপ্তাহ ব্যবধানে ইউক্রেনের পশ্চিমে থাকা শহরগুলোতে আক্রমণ করছে দেশটি। এর মধ্যে সোমবার ৫টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লিভিভে আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। গত দুই মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে এখনো লিভিভকে টার্গেট করে বড় কোনো হামলা চালায়নি রাশিয়া। রাশিয়ার ছোঁড়া সর্বশেষ মিসাইলগুলো লাভিভের বেসামরিক ভবনে আঘাত হেনেছে বলে আশঙ্কা কড়া হচ্ছে। এএফপিকে সেখানকার বাসিন্দারা জানান, হামলার পর আবাসিক এলাকার উপরে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন তারা। শহরটির মেয়র আন্দ্রি সাদোভি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, হামলার পরেই এমার্জেন্সি সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌছে যান।
কিয়েভ থেকে সেনা সরিয়ে আনার পর শুধু পূর্ব ইউক্রেনেই অভিযান পরিচালনা করছিল রাশিয়া।

তবে কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের মিসাইল হামলায় রুশ যুদ্ধ জাহাজ মস্কভা ধ্বংসের পর আবারও সমগ্র ইউক্রেনে হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। এবারের হামলায় টার্গেট করা হচ্ছে ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা ও কারখানাগুলোকে। তবে লিভিভে কোন ধরণের স্থাপনাকে টার্গেট করা হয়েছে তা জানা যায়নি। এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সহকারী মিখালো পোডোলিয়াক। টুইটারে তিনি লিখেছেন, রাশিয়ানরা বর্বরভাবে ইউক্রেনীয় শহরগুলোকে আক্রমণ করে চলেছে। তারা সমগ্র বিশ্বজুড়ে ইউক্রেনীয়দের হত্যা করাকে তাদের অধিকার বলে ঘোষণা করেছে।

ইউক্রেনের জাতীয় রেলওয়ে বিভাগের প্রধান আলেকজান্ডার কামিশিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, বেশ কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রেলের সেবা পুনরায় চালু হতে সময় লাগতে পারে। তবে হামলায় কোনো যাত্রী বা কর্মচারি হতাহত হননি। তিনি একটি ছবি শেয়ার করেন যাতে দেখা যায় রেল লাইনের পার্শ্ববর্তী একটা ভবন থেকে ধোঁয়া উড়ছে।

এর আগে গত মার্চ মাসের শেষ দিকে লিভিভে বেশ কিছু হামলা চালিয়েছিল মস্কো। এতে বেশ কয়েকটি তেল ডিপোকে টার্গেট করা হয়। সেই ঘটনায় ৫ জন আহত হলেও কেউ মারা যাননি। এছাড়া ১৮ই মার্চ লিভিভ বিমান্দরের কাছে একটি বিমান সংস্কার কারখানায় হামলা করে রাশিয়া। ওই ঘটনাতেও কেউ হতাহত হয়নি। তবে লিভিভ থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের একটি সামরিক ঘাটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় রাশিয়া। এতে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছিল। পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় যুদ্ধের প্রথম থেকেই লিভিভ শরণার্থীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠে। এছাড়া রাজধানী কিয়েভ আক্রান্ত হওয়ার পর পশ্চিমা অনেক দেশই তাদের দূতাবাস লিভিভে সরিয়ে আনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host