রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

রাশিয়াকে অর্থনৈতিক সাহায্য পাঠাচ্ছে চীন

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২, ৭:২৯ অপরাহ্ন

চীন ইতিমধ্যে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সশস্ত্র ড্রোনের মতো সামরিক সরবরাহ পাঠানোর কথা ভাবছে। এমনই আশঙ্কা করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান তার চীনা সমপক্ষ ইয়াং জিচির সাথে রোমে একটি সাত ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি জানান, মস্কো ইউক্রেন আক্রমণের সময়ে একটি মিথ্যে অজুহাত দেখিয়ে কূটনীতির আশ্রয় নিয়েছিল এবং রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে এখন দুর্বলতার লক্ষণ ক্রমশ প্রকাশ পাচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রতিনিধি দল চীনা কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠককে কোনো আলোচনা হিসেবে মানতে রাজি নন, তারা কেবল ইয়াং জিচিকে একজন বার্তা সরবরাহকারী হিসাবে দেখছেন। যার কাজ শুধুমাত্র বেইজিংকে বার্তা প্রেরণ করা। আমেরিকার একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেছেন,” এই বৈঠকের উদ্দেশ্যেই ছিল আমেরিকা এবং চীন দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রাখা। এই বৈঠকটিতে কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয় বা ফলাফল নিয়ে আলোচনা হয়নি। বরং সরাসরি মতামত বিনিময়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। ” এই বৈঠক সফল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে, ওই কর্মকর্তা উত্তর দিয়েছিলেন: ” আমরা বিশ্বাস করি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যেখানে আমরা একমত নই।” যাইহোক, আমেরিকানরা রোমের বৈঠকের পর বুঝে গেছেন যে চীন সরকার মস্কোকে সমর্থন করার বিষয়ে তাদের মন পরিবর্তন করবে না। কারণ মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন চীনের সঙ্গে বৈঠকের পর মস্কোকে নিয়ে পুনর্মূল্যায়নের কোনো সদিচ্ছা তাঁরা দেখেননি। কারণ চীন ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা মস্কোকে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করবে। চীন থেকে রাশিয়াকে পাঠানো সামরিক সরবরাহের মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র ড্রোন এবং বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ। এখানেই শেষ নয়, সিএনএন জানিয়েছে যে, রাশিয়ান সামরিক বাহিনী রেশন এবং গুরুতর লজিস্টিক সমস্যাগুলি সম্বন্ধেও চীনের কাছে জানিয়েছে। কারণ ২৪ফেব্রুয়ারি আক্রমণের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের দ্বারা আরোপিত মারাত্মক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে রাশিয়ার সবচেয়ে জরুরীভাবে প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা। মস্কো তার ৬৪০ বিলিয়ন ডলারের সোনা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অ্যাক্সেস করতে অক্ষম। তাই বেইজিং তাত্ক্ষণিক সহায়তা প্রদানের জন্য পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানাচ্ছেন , ‘ চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজে রাশিয়ার সাথে এই ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের পিছনে রয়েছেন। ” চীন যদি রাশিয়াকে এইভাবে সমর্থন করে, তবে বাইডেন প্রশাসন এবং তার মিত্ররা , বিশেষত ইউরোপ বেইজিংয়ের সাথে তাদের সম্পর্কের কথা পুনর্বিবেচনা করবে। যার অংশ হিসেবে ফরাসি সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার প্যারিসে আসছেন সুলিভান। চীনের বৈশ্বিক নীতি এবং অগ্রাধিকারগুলি সম্পর্কে ইউরোপ কি ভাবছে সে বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে আমেরিকা।

সূত্র : www.theguardian.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host