শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

ফরিপুরের গরমের আগেই বেড়েছে ডাবের চাহিদা

সনতচক্রবর্ত্তী, ফরিদপুর
Update : সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২, ৫:৫০ অপরাহ্ন

সনতচক্রবর্ত্তী: গরমের আগেই বেড়েছে ডাবের চাহিদা। শীতের শেষে হালকা গরম ও শীতের অনুভব নিয়ে আসে বসন্ত। গ্রীষ্মের গরমে স্বস্তি পেতে ডাবের চাহিদা অনেক। কিন্তু তীব্র গরম আসার আগেই ফরিদপুরে বেড়েছে ডাবের চাহিদা।
 সচেতন মানুষ  পানির তৃষ্ণা নিবারণের জন্য বেছে নিচ্ছেন ডাবের পানি। তৃষ্ণা পিপাসুদের মতে, পৃথিবীতে যত পানীয় পাওয়া যায় তার মধ্যে ডাবের পানিই সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বা নিরাপদ। তাই অনেকে তৃষ্ণা নিবারনের জন্য  সচেতন মানুষ  কোমল পানীয়র বদলেও তারা বেছে নেন ডাবের পানি।
ডাব বিক্রেতারা বিভিন্ন  গ্রামে ঘুরে ঘুরে নারকেল গাছ মালিকের কাছ থেকে ডাব ক্রয় করেন,কখনো গাছ থেকে নিজেরা বা কখনো  শ্রমিক দিয়ে গাছ থেকে  ডাব পাড়ানো হয় , এর পর ভ্যানে করে বিভিন্ন  বাজারে এনে বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার সাথে কিছু মানুষ জড়িত।
ফরিদপুরে শহরে   শুধু রাস্তার পাশে নয়, ফলের দোকানে,স্কুল, কলেজ ও অভিজাত হোটেলে গুলোর সামনেও  ডাব পাওয়া যায়। তবে রাস্তার পাশে ভ্যানের গাড়িতেই বেশি ডাব পাওয়া যায়।
যারা পানি পিপাসা অনুভূত করছে তারা বিক্রেতার কাছে দাম দর ঠিক করার পর। বিক্রতা ডাবের মুখ কেটে ছোট পাইপ দিয়ে বা মুখ লাগিয়ে ক্রেতা পানি পান করেন। আকার ভেদে একেকটি ডাবের দাম ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়।
জেলা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডাব পাওয়া যায়। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড,ভাঙ্গা রাস্তায় মোড়, নতুন বাসস্ট্যান্ড,ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এর সামনে, ফরিদপুর জজ কোটের সামনে,ডায়বেটিস হাসপাতালের সামনে,জনতা ব্যাংক এর সামনে,  সামনে ভ্যানে করে  ডাব বিক্রি হচ্ছে।
 জনতা ব্যাংকের মোড়ে সজিব নামে এক  ক্রেতার সাথে কথা হয় তিনি  বলেন,  পৃথিবীতে  যত পানীয় পাওয়া যায় তার মধ্যে ডাবের পানিই সবচেয়ে নিরাপদ। সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সমৃদ্ধ ডাব বারো মাস পাওয়া গেলেও গরমকালে এর চাহিদা বেশি থাকে।
ডাবের পানি খাওয়ার পর পটাশিয়ামের কারণে শরীরে একটা শীতল অনুভুতি আসে। ডাবে ক্যালরি কম থাকে। তাই ডাব খেলে অনেক মোটা মানুষেরও কোন সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। কার্বোহাইড্রেডও তুলনায় কম থাকে। ক্যালসিয়াম ভালই থাকে।
ডাবের চাহিদার কারণ জানতে চাইলে ডাব বিক্রেতা মামুন জানান, ডাব ১২ বারো মাসই পাওয়া যায়। তবে গরমে অনেক বেশি চাহিদা থাকে। দেশেতো তো গরম শুরু হয়ে গেছে। এখন একটু কম গরম হলেও ডাবের চাহিদা বেড়েছে।
তিনিআরও জানান, এখন ডাবও খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। আগে গড়ে ১০০ ডাব ২০০০ থেকে ৩ হাজার টাকা দরে কেনা যেত। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০০ থেকে ৩৫শ   টাকায়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ১০০ থেকে ১৫০ ডাব বিক্রি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host