বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

সব দায় কি পুলিশের ?

রকিবুল ইসলাম রুবেল, লালমনিরহাট
Update : মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ৯:১১ অপরাহ্ন

রকিবুল ইসলাম রুবেল,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ ২২ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের ২য় তলায় আইসিইউতে ছোট একটি শিশু বাচ্চাকে পরম মমতায় মাতৃস্নেহে  দুগ্ধ পান করাচ্ছে সদর থানা পুলিশের এক মহিলা কনস্টেবল।
নাম তার লতা।তিনি লালমনিরহাট সদর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন।লতাকে বাচ্চাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিদের বলেন,১৪ ফেব্রুয়ারী থেকে আমার স্যার সদর থানার ওসি শাহা আলমের নির্দেশে আমি,মুন্নি ও হাসনা আপা মিলে পালাক্রমে শিশুটিকে দেখভাল করছি। প্রচন্ড শীতে আমাদের হাসপাতালে থাকতে খুব কষ্ট হয় তারপরও শিশুটির প্রতি মাতৃস্নেহে লালন পালন করছি।প্রথম প্রথম কয়েকজন খবর নিলেও এখন আর কেও খবর নেন না।মাঝে মাঝে ওসি শাহা আলম স্যার এসে আমাদে উৎসাহ দিয়ে যান তাতেই আমরা খুব খুশি মনে মাতৃপরিচয়হীন শিশুটিকে লালন পালন করছি।
সরকার মাতৃ পরিচয়হীন শিশুদের লালন পালন করার জন্য সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়ের অধীনে স্থানীয় সমাজ সেবা অধিদপ্তরের দ্বায়িত্ব দিলেও তারা এই কন্যা শিশুটির দেখভাল করছে না।পুলিশকেই দেখা যাচ্ছে সার্বক্ষনিক সেবা করতে।অথচ পুলিশ বাহিনী দেশের আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।তারা আবার পরম মমতায় মাতৃস্নেহে ছোট বাচ্চা শিশুকে লালন পালন করছে।এ জন্য লারমনিরহাট পুলিশ জেলা বাসীর প্রশংসায় বাসছে।
এর আগে এসআই রফিকুল ইসলাম ১৪ ফেব্রুয়ারী লালমনিরহাট পৌরসভার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কালীবাড়ী (পুরাতন বাজার) একটি ময়লার স্তুপ থেকে এই নবজাতককে (কন্যা) উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।সেই থেকে মাতৃপরিচয়হীন অনাথ শিশুটি সদর হাসপাতালের আইসিইউতে তিন জন মহিলা কনস্টেবলের তত্বাবধানে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host