ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিস সুলতানা করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন।
গত শনিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে আর টি,পিসি,আর ও তার দুইদিন আগে স্থানীয় ভাবে র্যাপিট প্রোফাইল এন্টিজেন টেস্টের রিপোর্টেও পজিটিভ হয়েছেন স্বামী, সন্তান ও মাসহ তিনি নিজেও। নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিস সুলতানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জামিনুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
করোনার মহামারির এই সময়ে উপজেলাবাসীকে নিরাপদে রাখতে নিজের জীবনকে বাজি রেখে দিন রাত উপজেলার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে পযর্ন্ত ছুটে মানুষের সেবা দিয়েছেন। আজ তিনি নিজেই আক্রান্ত হলেন অদৃশ্য হায়েনা ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে।
প্রশাসনের এই মাঠপর্যায়ের সাহসী করোনাযোদ্ধা সৈয়দা নাফিস সুলতানাসহ তার পরিবারের আক্রান্ত সদস্যরা বর্তমানে উপজেলার সরকারী বাসভবনে হোম কোয়ারান্টাইনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এছাড়াও তিনি বলেন আগামী দুই সপ্তাহ রেস্টে থাকার পর পূনরায় টেস্টের মাধ্যমে পরবর্তি অবস্থা জানা যাবে। আক্রান্ত নির্বাহী অফিসার সৈয়দা নাফিস সুলতানা করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহন করেছেন।
সাহসী এই করোনাযোদ্ধা মনোবল না হারিয়ে বাসায় আক্রান্ত পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে স্বাস্থবিধি প্রতিপালন ও চিকিৎসা সংক্রান্ত অন্যান্য নিয়মনীতি মেনে চলছেন এবং বর্তমানে অনেকটা সুস্থতাবোধ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন, এই দূঃসময়ে জনসাধারণের পাশে থেকে তাদের সচেতন করার পাশাপাশি সেবা করতে না পেরে আমি ভিষণভাবে ব্যাথিত। আমার সহকর্মী সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেলিম আহমেদ বসেনেই, আমারই মতো তিনি দিনরাত ছুটছেন উপজেলা বাসির সেবা দিয়ে সুস্থ রাখার জন্য।
ইউএনও সৈয়দা নাফিস সুলতানার সুস্থতা কামনায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ দোয়া ও প্রার্থণা করেছেন।