নিউজ ডেস্ক: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর ঝিনাইদহ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়রানি মূলক আচরন সহ দূর্বাবহার করে থাকেন এবং আইনের অপব্যবহার করে জরিমানা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, অনাদায়ে নানা রকম ভয়ভিতি দেখিয়ে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত বলে দাবি করেছেন শহীদ বীজ ভান্ডারের মালিক শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন অজানা ক্ষমতায় একই স্থলে বিগত ছয় বছর চাকুরি করে যাচ্ছেন তিনি, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলায় শশুরবাড়ি হওয়ায় নানান ধরনের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তারা।ভূক্তভোগী ঝিনাইদহ শহরের অগ্নিবীণা সড়কের প্রতিষ্ঠিত বিজ ব্যবসায়ী সহিদ বীজ ভান্ডারের মালিক জনাব সহিদুল ইসলাম ০৯/১০/২১ ইং তারিখ শনিবার বেলা ১০ ঘটিকার সময় তার নিজ বাস ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে উক্ত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন সুচন্দন মন্ডল প্রজাতন্ত্রের একজন সরকারী কর্মকর্তা হয়ে মান-সম্মান ও ব্যবসায়ীক সুনাম নষ্ট করেছে। তিনি আরো বলেন সুচন্দন মন্ডলের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়ে আমি আজ পূঁজি হারা। সুচন্দন মন্ডল জেলা তথ্য অফিসার আবু বকর সিদ্দিকীর সহযোগিতায় ধানচাষি আজিজার মন্ডলকে দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে আমার বিরুদ্ধে সাজানো একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের শুনানীতে আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে আমার ব্যবসা পতিষ্ঠান সিলগালা করার ভয় দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং জোর পূর্বক দুইলক্ষ উনত্রিশ হাজার পাচঁশত টাকা আদায় করে নেয়। যে অভিযোগ এনে জরিমানা করা হয়েছে তা সঠিক নয়। একথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শন করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।
২৫ বিঘা ১০ কাঠা জমির ক্ষতিপূরণ নেয় সুচন্দন মন্ডল অথচ মাঠে তিন বিঘা জমিতে নিড়ানি,সার,পানি না দিয়ে ইচ্ছাকৃত অবহেলায় জমির ধান নষ্ঠ করা হচ্ছে।বাকি ২২ বিঘা ১০ কাঠা জমির ফসলের যত্ন নেয়ায় ভালো ফলন হয়েছে।