রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইদহে ম্যাজিক কর্পোরেশন প্রাইভেট লিঃ’র নকল পণ্য নিয়ে প্রতারণা ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিতদের জন্য শিশু শিক্ষাকেন্দ্র জিংক সমৃদ্ধ ধানের চাল বাণিজ্যিকীকরণ শীর্ষক মতবিনিময় সভা মহাদেবপুরে এক গৃহবধুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা নড়াইলের কৃতি সন্তান বিশ্বখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয় শংকরে ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিক আজ  কুড়িগ্রামে বালু উত্তোলনে বাধাদিতে গিয়ে নিযার্তনের শিকার প্রধান শিক্ষক নড়াইলে ৫১৬ পিচ ইয়াবা ও ৪৪০০০ টাকা সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বান্দরবানে শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার এডিবি বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে মহাদেবপুরে জমির দখল নিতে বসতবাড়ি ভাঙচুর
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা চাইল অধিদপ্তর

Reporter Name
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ২:৩৬ অপরাহ্ন

নিউজ ডেস্ক:  করোনা মহামারিতে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। খোলার প্রথম দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকই উপস্থিত হননি।

ফলে বিনা অনুমতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত আছেন- এমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য চাওয়া হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের করোনা সংক্রমণের তথ্য প্রতিদিন বিকেল ৪টার মধ্যে ‘করোনা আপডেট’ সফটওয়্যারে এন্ট্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত ছকে শিক্ষকের নাম ও পদবি, বিদ্যালয়ের ঠিকানা, অনুপস্থিতির তারিখ, অনুপস্থিতির কারণ এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে- আদেশে তাও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, কভিড-১৯ সংক্রান্ত কারিগরি পরামর্শক কমিটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে স্বাস্থ্যবিধিসংক্রান্ত সুপারিশ অনুসারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রমণসংক্রান্ত দৈনিক ভিত্তিতে মনিটরিং করা প্রয়োজন।
উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা তার আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে পূরণ করা স্বাস্থ্য তথ্য নির্ধারিত ছকে সংগ্রহ করবেন এবং প্রতিদিন বিকেল ৪টার মধ্যে আবশ্যিকভাবে ‘করোনা আপডেট’ সফটওয়্যারে হালনাগাদ তথ্য এন্ট্রি দেবেন।

এদিকে, শিক্ষকদের অনুপস্থিতির পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্যও পাঠাতে বলেছে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মনীষ চাকমার স্বাক্ষর করা অফিস আদেশে বিভাগীয় উপপরিচালকদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের আলোকে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয়গুলোয় রোববার থেকে রুটিন অনুযায়ী সরাসরি শ্রেণি পাঠদান শুরু হয়েছে। প্রতিদিন বিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষার্থী সরাসরি পাঠদানে উপস্থিত রয়েছে সে সম্পর্কিত তথ্য প্রয়োজন। প্রত্যেক বিভাগের জেলাভিত্তিক তথ্য সমন্বয় করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
এর আগে ৫৪৪ দিন পর রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) সব অপেক্ষার অবসান হয়ে গেছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী রোববার খুলেছে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। ফলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়েছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনার রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৭ মার্চ বন্ধ করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর এখন পর্যন্ত ২৩ দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে।
সবশেষ স্কুল-কলেজ খোলার চূড়ান্ত ঘোষণা আসার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। একদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান। আরেক দিকে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক রুটিন তৈরির পাশাপাশি ক্লাসরুমে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, হাত ধোয়াসহ সব নির্দেশনাই মানা হয়েছে।
এদিকে দীর্ঘদিন পর ক্লাসে বসার আনন্দে মাতোয়ারা শিক্ষার্থীরা। এক সপ্তাহ ধরে তারা স্কুলব্যাগ, ড্রেস, জুতা ইত্যাদি কিনে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তাদের স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে প্রত্যন্ত এলাকার অনেক স্কুল-কলেজ এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হতে পারেনি। আর বর্ষাকাল হওয়ায় কোনো কোনো স্কুলের সামনে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে অনেক স্কুল তাদের পাঠদান শুরু করতে পারবে না।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, সব দিন শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হবে না। শুধু পিইসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা দৈনিক ক্লাস করবে। বাকিদের একদিন সরাসরি পাঠদান হবে। সপ্তাহের বাকি দিনগুলো অনলাইনে বা টেলিভিশনে দূরশিক্ষণে পাঠদান চলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host