বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মিয়ানমারের জনগণ ভারতে পালাচ্ছেন  কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক দখল করে ট্রাক-টার্মিনাল:দেখার কেউ নেই ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর নির্বাচিত হলেন যারা ভারতীয় বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশি ভেবে ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যা  পত্নীতলায় জমির প্রকৃত মালিক হওয়া স্বত্বেও ভূমি দস্যুদের জমি দখলের চেষ্টা হরিনাকুন্ডু’র রেসিডো ক্লিনিকে সিজারের পর নবজাতকের মৃত্যু ঝিনাইদহে দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে সার ও বীজ বিতরণ ঝিনাইদহে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং সমাবেশ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে অর্থমন্ত্রী মহম্মদপুরে প্রাইম ব্যাংকের আউটলেট শাখার উদ্বোধন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: [email protected]

কুড়িগ্রামে ধরলা নদী পানি বিপদ সীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত

হাফিজ সেলিম,  কুড়িগ্রাম
Update : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১, ৩:৫১ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ৩ দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় ধরলা নদী এখন পানিতে টইটুম্বুর ৷
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমারসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও তা এখনো বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ অবস্থায় জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলাসহ সব নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে ধরলানদী তীরবর্তী নীচু এলাকার বিপুল পরিমান জমির রোপা আমন, পটলসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ক্ষেত পানির নীচে তলিয়ে গেছে।
অন্যদিকে, নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে খরস্রোতা তিস্তা নদীর ১৭ টি পয়েন্টে- ভাঙ্গন এতটাই তীব্র যে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৬০টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অসহায় পরিবারের পাশে কেউ দাঁড়ায়নি  অভিযোগ করেন ঘরবাড়ি হারা ভুক্তভোগীরা। সাম্প্রতিক সময়ে থেতরাই ইউপি’র ভাঙ্গন কবলিত গোড়াইপিয়ার এলাকায় ভাঙ্গনরোধে জরুরী মেরামত কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন জিও টেক্সটাইল ব্যাগে সঠিক পরিমাণে  বালুভর্তি করে পরিকল্পিতভাবে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় নিক্ষেপ করলে আজ তার বাড়িসহ দক্ষিণ অংশের এতগুলো বসতবাড়ী নদীর গর্ভে যেতো না।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী  আরিফুল ইসলাম জানান, ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানিতে দ্বিতীয় দফায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এই মুহুর্তে বড় ধরনের বন্যার কোন আশংকা নেই বলে ঐ প্রকৌশলী দাবী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host