নির্দিষ্ট কিছু দেশের তৈরি কিংবা আরোপ করা কোনো নিয়ম মেনে চলবে না রাশিয়া। শুক্রবার সেন্ট পিটার্সবার্গে ক্রাউন্সিল অব লেজিস্লেটর্সদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বের অর্থনৈতিক আগ্রাসন মোকাবিলা করছে। এ খবর দিয়েছে আরটি।
খবরে জানানো হয়, এই ‘কঠিন’ সময়ে আইনপ্রনেতা থেকে শুরু করে সকল শাখার কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান পুতিন। তিনি বলেন, আমাদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী স্বাধীন এবং সফল একটি উন্নত দেশ গঠন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পদ্ধতি ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ নির্দিষ্ট কিছু দেশ তাদের মতো করে তৈরি করা নিয়ম চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। আমাদের এই সাবেক পার্টনারদের এই পাগলামী যোগাযোগের সব বৈধ পদ্ধতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা এখন অন্যদের ওপর তাদের মতাদর্শ ও নিয়ম চাপিয়ে দিতে চায়। কিন্তু এই নিয়মগুলো কী? কেউ তা দেখেনি। এরপরই পুতিন বলেন, এইসব দেশ নিজেরা গোপনে গোপনে এসব নিয়ম লিখছে আবার তারা নিজেরাই গোপনে ভিন্ন কাজ করছে। আমরা তাদের মতো হামাগুড়ি দিয়ে এসব কাভারের নিচে যেতে পারব না। তাদের নিয়মও আমরা মানতে যাচ্ছি না। তবে এর মানে এই না যে, রাশিয়া বিচ্ছিন্ন থাকতে চায়। বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে রাশিয়া সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। আমরা ইউরেশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির সাথে বাস্তবসম্মত, সমান, পারস্পরিকভাবে উপকারী এবং অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক প্রসারিত করব।
তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও বহু মানুষ আছেন যারা রাশিয়াকে বন্ধু মনে করেন। যদিও এলিটরা অন্যরকম আচরণ করেন। কিন্তু এসব এলিটরা কখনোই তাদের দেশের সাধারণ মানুষের কল্যানের জন্য নীতি নির্ধারণ করে না।