মস্কোর সঙ্গে সমঝোতা করতে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা। তবে তিনি মন্তব্য করেন, পশ্চিমা দেশগুলোর এ চাপ ইউক্রেনের জন্য আত্মসমর্পণের শামিল।
রোববার (২০ নভেম্বর) প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখায়লো পোদোলিয়াক এএফপিকে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা করতে চাপ দিয়ে বলেছে, ‘আপনারা আর যাইহোক সামরিক উপায়ে সবকিছু করতে পারবেন না, আপনাদের আলোচনায় বসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘যখন যুদ্ধক্ষেত্রে আপনি উদ্যমী, তখন এ ধরনের প্রস্তাব কিছুটা উদ্ভট।’
পোদোলিয়াক বলেন, এর অর্থ হবে যে দেশ তার অঞ্চল পুনরুদ্ধার করছে, তাকে অবশ্যই পরাজিত একটি দেশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কিয়েভকে শান্তি আলোচনার জন্য রাশিয়া ‘কোন সরাসরি প্রস্তাব’ দেয়নি। শুধু সময়ক্ষেপণের জন্য আলোচনাকে ব্যবহার করতে পারে।
এদিকে, যুদ্ধজয়ে ভূমিকা রাখতে জনগণকে দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইউক্রেনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানি ডিটিইকের প্রধান নির্বাহী ম্যাক্সিম তিমশেঙ্কো।
তিনি বলেন, ‘যদি তারা (জনগণ) আগামী তিন থেকে চার মাস ইউক্রেনের বাইরে অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন, তবে সেটা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য খুবই সহায়ক হবে।’
তিমশেঙ্কো বলেন, রাশিয়ার প্রতিটি হামলার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়াই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু রাখার প্রধান উপায়। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখনও বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম নয়।
ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় এমন সব যন্ত্রাংশ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
Your article helped me a lot, is there any more related content? Thanks!
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.