গত মাসে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, রাশিয়ার কাছে ইরান কয়েকশ ড্রোন হস্তান্তর করতে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনের কাছে এ-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য আছে। এর মধ্যে কোনো কোনো ড্রোন সশস্ত্র বলে জানা গেছে। হামলায় সক্ষম মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) দেখতে ইরান সফর করেছেন রুশ কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আল-আরাবিয়াহ এমন খবর দিয়েছে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এসব তথ্য অস্বীকার কিংবা স্বীকারও করেননি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কাহানি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের আগে থেকেই কয়েকটি আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে।
রয়টার্স বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে ড্রোন সরবরাহ করে আসছে ইরান। এবার ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর সহায়তায় এগিয়ে আসছে তেহরান।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘গেল কয়েক সপ্তাহে রুশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইরান। ইরানি ও রুশ অস্ত্র বাণিজ্যের ওপর জোরালো নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশের মধ্যে ড্রোন বিনিময় নানা উপায়ে নিষেধাজ্ঞাযোগ্য। ইরানের ড্রোন ব্যবহার ও সম্প্রসারণ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
তিনি আরও বলেন, মার্কিন বাহিনী, আঞ্চলিক অংশীদার ও জাহাজে হামলা চালাতে ড্রোন ব্যবহার করছে ইরান।