রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

ফকিরহাটে জেলা পরিষদের পুকুরে নিষেধাজ্ঞা অমfন্য করে মাছ চাষ

পি কে অলোক
Update : মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৭:৫৯ অপরাহ্ন

পি কে অলোক, ফকিরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পাইকপাড়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সরকারি পুকুরে মাছ চাষ করার গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্য শেখ আ: জব্বারের বিরুদ্ধে। তিনি নিয়মনীতিমালার তোয়াক্কা না করেই সেই সরকারী পুকুরে মাছ চাষ করেছেন। ফলে এলাকার শতশত পরিবার সুপ্রিয় পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের সহযোগিতায় ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে পানি সংরক্ষণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পুকুর/দিঘি/জলাশয় সমূহে পুনঃখনন/সংস্কার প্রকল্পের আওতায় পাইকপাড়া সরকারি পুকুরটি পুন:খনন ও সংস্কার করা হয়। জেলা পরিষদের মালিকাধীন পাইকপাড়া পুকুর ভূউপরস্থ পানি ব্যববহারের লক্ষ্যে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে পুন:খননকৃত সংরক্ষিত পুকুরের মধ্যে পাইকপাড়ার একটি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এই পুকুরে গোসল করা, কাপড় কাচা, হাত-পা ধোয়া এবং মাছ চাষ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এমন লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, সৌর শক্তি চালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার মাধ্যমে এখানে পানি ফিল্টার ক্ষমতা রয়েছে প্রতিদিন ১০হাজার লিটার। সবোর্চ্চ উপকারভোগীর সংখ্যা দুইশত থেকে আড়াইশত পরিবার পানি নিতে পারবেন। যা ১০/১০/২০২১ইং তারিখ স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন সহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সাবেক মেম্বর শেখ আ: জবব্বার তিনি কয়েকদিন আগে সরকারি এই পুকুরে মাছ ছেড়েছেন। পুকুরটি খনন করা হয়েছে এই পানি ফিল্টারিং এর মাধ্যমে স্থানীয় লোকজন সুপেয় পানি নিতে পারবেন। সেখানে মাছ চাষ করলে পুকুরের পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেলে সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত হবেন এখানকার সাধারন মানুষ। এ ব্যাপারে পাইকপাড়া পুকুর এর ব্যবস্থাপনা কমিটির সুবিধাভোগী ও সদস্য সাবেক মেম্বর শেখ আ: জব্বার পুকুরে মাছ ছাড়ার বিষয়টি অস্বিকার করে বলেন, ওই পুকুরে যাতে কেউ গোসল করতে না পারে এবং হাঁস ছাড়তে না পারে তার জন্য তিনি নেট দিয়ে পুকুরের বিভিন্ন অংশ ঘিরে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন পুকুরে আগে থেকেই মাছ ছিল। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হাসিবুর রহমান এর সাথে আলাপ করা হলে বলেন, এলাকার সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। তবে কেউ যদি সেখানে মাছ চাষ করে তা সঠিক তদন্তে প্রমানিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host