রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

ফরিদপুরের মধুখালীতে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে চাষী খুশি

পার্থ রায়,মধুখালী উপজেলা প্রতিনিধি
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২, ৫:০৯ অপরাহ্ন

পার্থ রায়,মধুখালী উপজেলা প্রতিনিধি : মধুখালীতে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে চাষী খুশি কিন্তু পেঁয়াজের বাজার দর কম হওয়ায় লোকসানে চাষীদের মাথায় হাত। আমাদের দেশে সাধারনত  ৩ ধরনের পেঁয়াজ চাষ  হয়ে থাকে। হালি পেঁয়াাজ,মুড়িকাটা ও দানা পেঁয়াজ। সারা দেশের মধ্যে ফরিদপুর জেলা পেঁয়াজ চাষে সেরা।
ফরিদপুরের ৯টি উপজেলার মধ্যে মধুখালী উপজেলা হচ্ছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এ বছর প্রচুর পেঁয়াজ  উৎপাদন  হয়েছে মধুখালী উপজেলাতে। উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ১১টি  ইউনিয়নে কম বেশী পিয়াজের চাষ হয়ে থাকে।
উপজেলার  কোরকদি, জাহাপুর, রায়পুর, কামালদিয়া, , আড়পাড়া,  মেগচামী এবং ডুমাইন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রচুর পেঁয়াজ চাষের উর্বর জমি রয়েছে যে কারনে চাষও হয় বেশী। এ বছর মধুখালী উপজেলাতে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। পেঁয়াজের মৌসুম হওয়ায় বাজারে মূল্য কম।  চাষী পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে খুশি হলেও দাম কম হওয়ায়  লোকসানে মাথায় হাত।
এ বছর পরপর ৩ দফায় পেঁয়াজ রোপন মৌসুমে বৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে পেঁয়াজ চাষীরা। সর্বোপরি পেঁয়াজ বীজ রোপনে  চাষী সক্ষম হলেও  দাম কমের জন্য চাষীরা লোকসানে আছেন। পেঁয়াজ বীজ রোপন , আবাদ ও ঘর পর্যন্ত  উঠাতে প্রতি মণ পেঁয়াজে খরচ হয়েছে ১১/১২শত টাকা। বিক্রয় হচ্ছে প্রতিমণ ৭/৮শত টাকা। লোকসানের মুখে ৪/৫শত টাকা মণপ্রতি। পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে খুশি হলেও লোকসানে মাথায় হাত পেঁয়াজ চাষীদের
চাষী ভাইদের জন্য একটাই পরামর্শ নিজস্ব উদ্যোগে সংরক্ষন ও আড়তে যোগাযোগ করে দলবদ্ধ ভাবে পেঁয়াজ বিক্রয় করলে সঠিক দাম পাবেন ও লাভবান হবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host