ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ‘প্রথম পর্ব’ অনেকাংশেই শেষ হয়েছে। এখন পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল পুরোপুরি ‘মুক্ত’ করার দিকে নজর দেওয়া হবে। শুক্রবার (২৫ মার্চ) এমন ঘোষণা দেয় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই ইউক্রেনের সেনারা এবার দাবি করেছেন, মে মাসের ৯ তারিখের আগেই মূলত যুদ্ধ বন্ধ করতে চায় মস্কো।
ইউক্রেনের স্থানীয় কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ডেইলি মেইল, রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল অব স্টাফের কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে, আগামী মে মাসের ৯ তারিখের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার জন্য রুশ সেনাদের নির্দেশনা দিয়েছে মস্কো। কারণ, ৯ মে দিনটি জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে রাশিয়ায় বড় পরিসরে পালিত হয়।
তবে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, রুশ সেনাবাহিনীর জেনারেল অব স্টাফের প্রধান ডেপুটি চিফ কর্নেল জেনারেল সের্গেই রুদস্কয় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রাশিয়ার সামরিক পরিকল্পনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের পরবর্তী লক্ষ্য এবার পূর্ব ইউক্রেন।
তিনি বলেন, ‘সংক্ষেপে বলতে গেলে, অভিযানের প্রথম ধাপের মূল কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর যুদ্ধের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস করা হয়েছে। আমরা এখন দনবাস মুক্ত করা এবং ইউক্রেনে আমাদের যে মূল লক্ষ্য তা অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করেছি।’
তবে কিছু জায়গায় নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে রুদস্কয় বলেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর অগ্রগতি কিয়েভ ও খারকিভের মতো প্রধান শহরগুলোর কাছে এসে স্থবির হয়ে গেছে। এমনকি ইউক্রেনের আকাশসীমায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনেও ব্যর্থ হয়েছে রাশিয়া।