জার্মানির নর্দরাইন ওয়েস্টফালেন অঙ্গরাজ্যের ডুইসেলডর্ফে এক আশ্রয়প্রত্যাশী ইউক্রেনীয় তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শরণার্থীদের জন্য দেশটির সরকারের দেওয়া একটি অভিজাত জাহাজে ১৮ বছর বয়সি ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণে অভিযুক্ত ২৬ বছর বয়সী তিউনিসীয় ও ৩৭ বছর বয়সী নাইজেরিয়ার নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৬ মার্চ দেশটির নর্দরাইন ওয়েস্টফালেন অঙ্গরাজ্যের ডুইসেলডর্ফে আসা কয়েক হাজার শরণার্থীদের সঙ্গে ভুক্তভোগী ওই তরুণীও আশ্রয় প্রার্থণা করেন। এরপর ৮৮ জনের একটি শরণার্থী দলের সঙ্গে তাকে স্থানীয় একটি হোটেল কাম জাহাজে আশ্রয়ের ব্যাবস্থা করে স্থানীয় প্রশাসন। যাদের মধ্যে ৫৮ জনই নারী শরণার্থী।
জাহাজটির কতৃপক্ষ জানায়, জাহাজটিতে নারী ও পুরুষ আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ছিল আলাদা রুমের ব্যবস্থা। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থার সাথে সাথে কক্ষগুলো ভেতর থেকে তালাবন্ধ করার ব্যবস্থা থাকার পরও এই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘ন্যাক্কারজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, ৬ মার্চ ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ করার পরপরই দুই অভিযুক্তকে আটক করতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। আটকের পর দুইজনকে দ্রুত সনাক্ত করতে সক্ষম হয় ওই তরুণী।
অভিযুক্ত দুইজনকেই রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এক মুখপাত্র। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দারি করেন জাহাজটিতে অবস্থান করা ইউক্রেনীয় আশ্রয় প্রার্থীরা।