ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের মধ্যেই এবার রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্রের হামলার পরিকল্পনার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে মস্কো ও ওয়াশিংটন।
ইউক্রেনের ল্যাবে বাদুড়ের করোনাভাইরাস ও আরও ভয়াবহ জৈব অস্ত্রের আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুতিন সরকার। আর ওই ল্যাবটি যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনা করছে বলেও অভিযোগ তাদের। অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়াশিংটনের পাল্টা দাবি, ইউক্রেনে রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্রের হামলা চালাতে পারে রাশিয়া।
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে মুহুর্মুহু গোলা বর্ষণ ও বিমান হামলার মধ্যেই এবার আলোচনায় জৈব ও রাসায়নিক অস্ত্র। ইউক্রেনের একের পর এক স্থাপনা দখলে নিচ্ছে রুশ সেনারা। গত সপ্তাহে এ রকম একটি ল্যাব দখল করার কথা জানিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভের দাবি, ল্যাবটিতে বাদুড়ের করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন জৈব অস্ত্র নিয়ে গবেষণার আলামত জব্দ করেছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণাগার থেকে মারাত্মক রোগজীবাণু ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও দাবি তার। ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক-জৈবিক কার্যকলাপের নথি পাওয়ার গেছে বলেও জানান তিনি। এমনকি এসব নথির মধ্যে ইউক্রেনের জৈব উপাদান বিদেশে স্থানান্তরের প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি কোনাশেনকভের।
রাশিয়ার এমন অভিযোগ অস্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা দাবি, ইউক্রেনে রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্রের হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যাচার প্রচার করছে পুতিন সরকার। ইউক্রেনে সামরিক অভিযানকে বৈধতা দিতেই মিথ্যাচার করছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, জীবাণু অস্ত্র গবেষণাগার এবং ইউক্রেনে রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি নিয়ে রাশিয়া যে দাবি করেছে রা অযৌক্তিক। বরং রাশিয়ার সম্ভাব্য এই হামলা নিয়ে সবার সতর্ক ও সাবধান থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ২০১৮ সালে জর্জিয়ার একটি ল্যাবে গোপনে জীবাণু অস্ত্র পরীক্ষা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে রাশিয়া।