মোঃ শাহানুর আলম, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নায়ক বিপ্লবী বাঘা যতীন এর পৈতৃক ভিটা ও প্রস্তাবিত একাডেমী ভবন এবং মরমী সাধক লালন ভিটা ও লালন একাডেমী পরিদর্শন করলেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ৪নং দৌলতপূর ইউনিয়নের রিশখালী গ্রামে এই বিপ্লবী বাঘা যতিনের জন্ম এবং একই উপজেলার ২নং জোড়াদহ ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামে মরমী কবি লালন শাহ্ জন্ম গ্রহন করেন। মঙ্গলবার বিকালে প্রথমে বিপ্লবী বাঘা যতীন এর পৈতৃক ভিটা ও প্রস্তাবিত একাডেমীক ভবন এবং পরে সন্ধ্যায় মরমী সাধক লালন সাঁইজির জন্মস্থান ও সিরাজ সাঁইজির মাজার সহ লালন একাডেমী পরিদর্শন করেন ঝিনাইদহ জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম। এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

পরিদর্শন কালে একাডেমির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম নিজেকে ধন্য মনে করে অভিমত ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এরকম দুইজন জগৎক্ষ্যত ব্যক্তির জন্ম স্থান পরিদর্শণ এবং তাদের নামে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়ায় নিজেকে গর্বিত মনে করছি। বিপ্লবী বাঘা যতীন এর প্রতিকৃতিতে পূষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
বিপ্লবী বাঘা যতীন একাডেমির সাধারণ সরোয়ার জাহান বাদশার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম আহমেদ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম, হরিণাকুণ্ড পৌরসভার মেয়র ফারুক হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম মোল্লা, লালন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ নজরুল ইসলাম, দৌলতপূর ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, জোড়াদাহ ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবু মিয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নাজমূল হুদা পলাশ প্রমূখ
আলোচনা শেষে লালন ভক্তরা লালন একাডেমিতে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় লালন কন্যা বিনাসহ অন্যান্য শিল্পিদের লালনগীতি উপভোগ করেন।