হাত মহীতোষ গায়েন হাত ছাড়া তো দূরের কথা, জানি কখনো হবে না সুযোগ ‘ও’ হাত ধরার, কখনো প্রিয় ঘ্রাণ মিশবে না শরীরে, অদৃশ্য হাত পাবে না সুযোগ খুনসুটি করার। বসন্ত আরো পড়ুন
নিজস্ব সংবাদদাতা ,কলকাতা : ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, কলকাতার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে উদযাপিত হলো ‘বঙ্গভূমি সাহিত্য পত্রিকা’-র আয়োজনে কবি সম্মান প্রদান ও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠান । এদিন বর্ষিয়ান কবি সাহিত্যিক বিজন রায়ের
কবিতার বাড়ি -(২) মহীতোষ গায়েন এখন থেকে নতুন আস্তানায় চলে এসেছি এখানে সবুজে ঘেরা, বাহারি পাখিরা সকালে বিকেলে এসে দেখা করে করে,মনের কথা বলে গভীর রাতে জোৎসনাআলোয় ভাসে কীর্তনের সুর।
কবিতার বাড়ি (১) মহীতোষ গায়েন শাখা প্রশাখায় যদি পাতা ঝরে যায় ,বাঁচবে কীভাবে? ঈশ্বর শক্তি দিয়েছেন,তাকে কাজে লাগিয়ে, এসো সেই শক্তি দিয়ে ডালে ডালে পাতা ভরিয়ে দিই,নবজাতকের কাছে রেখে যাই
ধ্রুবতারা মো: মতিয়ার রহমান তারায় তারায় ভরে গেছে দূরের আকাশ তবুও আলো নেই আজ তুমি নাই বলে হে আমার ধ্রুবতারা, জানিনা এখন তুমি কোন দিকে উঠো? আর কোন দিকে ডুবো!!
আমার সাথে যাদের ছবি আছে আলকামা সিদ্দিকী আমার সাথে যাদের ছবি আছে, একজন স্বপ্নবাজ কবি, গ্রামের জুনিয়র স্কুলের বাংলার অবৈতনিক টিচার, মাঝে মাঝে বের হওয়া মফস্বলি সাপ্তাহিকীর সৌখিন রিপোর্টার, প্রায়
প্রজাতন্ত্র নয় জনগণতান্ত্রিক জেহাদ মহীতোষ গায়েন ‘রাজা’ ও ‘প্রজা’ শব্দ দু’টি এখন অচল পয়সার মত, প্রভূ-ভৃত্যের সম্পর্কের মতন প্রাগৈতিহাসিক, বড্ড সেকেলে এই শব্দ দু’টি এবার বর্জিত হয়ে ‘সুশাসক’ ও ‘জনগণতন্ত্র’
ঘাসফুল –রাহুল রাজ ঘাসের বুকে হাসি মুখে ফোটে ঘাসফুল কুল বিচারে পেলো না সে উচ্চ জাত কুল! তার দিকে দৃষ্টি দিয়ে ক’জনে তাকায় পদতলের কসাঘাতে নিজেরে বিলায়। যে ভ্রমর, গোলাপ-রজনি