মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পেকান উপকূলে রহস্যময় ‘মহাকাশ বস্তু’, জনমনে চাঞ্চল্য জনসভায় ঘুমিয়ে পড়ার কথা অস্বীকার ট্রাম্পের গাইবান্ধায় ঘন কুয়াশায় ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ বেগম জিয়ার সমাধিতে নাতনি জাইমাসহ স্বজনদের শ্রদ্ধা ঝিনাইদহে ভায়ের ভুয়া দলিলে জমি বিক্রির অভিযোগে ৯০বছরের বৃদ্ধ ভায়ের ভোগান্তি খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল, স্বাক্ষরের জায়গায় আঙুলের ছাপ মনোনয়নপত্র জমা দেননি রুহুল আমিন হাওলাদার ও কাজী ফিরোজ রশিদ তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, ফের উত্তেজনা তবু আমি কবিতা লিখি -মো: মতিয়ার রহমান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের নির্দেশ: রাজৈরে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

চীনে নতুন ভাইরাসের সন্ধান, আক্রান্ত ৩৫

Reporter Name
Update : বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২, ৭:২৪ অপরাহ্ন

চীনে পশুর দেহ থেকে উৎপত্তি এমন একটি নতুন ভাইরাস আবিষ্কার করেছেন চীন ও সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীরা। এই ভাইরাস মানুষকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। চীনের দুটি প্রদেশে এই ভাইরাস আবিষ্কার করা হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে বলে এ খবর দিয়েছে অনলাইন হিন্দুস্তান টাইমস। গবেষণায় বলা হয়েছে, নতুন এই ভাইরাস পশুর দেহে পাওয়া গেছে। নিপাহ ভাইরাসের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। জ্বরজাতীয় কিছু অসুখের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এর কারণ অজ্ঞাত। লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে জ্বর, অবসন্নতা, কাশি, ক্ষুধামন্দা, পেশীতে ব্যথা এবং বমি বমি ভাব। এসব তথ্য ৪ঠা আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে।

তাতে বলা হয়েছে, চীনের দক্ষিণের প্রদেশ শ্যানডোং এবং মধ্যাঞ্চলীয় হেনান প্রদেশে এই ভাইরাসে কমপক্ষে ৩৫ জন আক্রান্তের রেকর্ড পাওয়া গেছে। ওই গবেষণার লেখকরা এর নাম দিয়েছেন ল্যাঙ্গিয়া হেনিপাভাইরাস বা সংক্ষেপে লেভি (LayV)। গবেষণায় বলা হয়েছে, একজন রোগীর সোয়াপ বা গলা থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে আলাদা করা হয়েছে হেনিপাভাইরাস। এর নাম দেয়া হয়েছে লেভি। চীনের শ্যানডোং এবং হেনান প্রদেশে লেভি সংক্রমণে আক্রান্ত ৩৫ জন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জন শুধু লেভি ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের দেহে অন্য কোনো প্যাথোজেন পাওয়া যায়নি।

 

এই গবেষণাপত্র লিখেছেন যৌথভাবে কয়েকজন বিজ্ঞানী। এর মধ্যে আছেন বেইজিং ইন্সটিটিউট অব মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড এপিডেমিলজি, কিংদাও মিউনিসিপ্যাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, ডিউক-ন্যাশনাল ইউনিভার্সিসি অব সিঙ্গাপুর মেডিকেল স্কুল, ইন্সটিটিউট ফর ইনফেকশন অ্যান্ড ইমিউনিটি, মেলবোর্নের বিজ্ঞানীরা। তাতে তারা বলেছেন, এই ভাইরাসটির জেনাস বা উৎপত্তি নিপাহ ভাইরাসের মতো। এখন পর্যন্ত তা প্রাণঘাতী অথবা অত্যন্ত সিরিয়াস বলে মনে হয়নি। তাই এ বিষয়ে দৃষ্টি সচেতন থাকতে হবে। পীড়িত হওয়া যাবে না। এ কথা বলেছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর স্কুল অব মেডিসিনের ওয়াং লিনফা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host