রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
যে সব জেলা, উপজেলায় প্রতিনিধি নেই সেখানে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। বায়োডাটা সহ নিউজ পাঠান। Email: newssonarbangla@gmail.com

পানির নীচে কৃষকের স্বপ্ন, হতাশায় কৃষক

রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
Update : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ৬:০৩ অপরাহ্ন

রয়েল আহমেদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইহের শৈলকুপা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় অশনি’র কারণে অসময়ে বৃষ্টির ফলে ক্ষেতের পাকা ধানে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে চরম হতাশায় পরেছে কৃষক। একদিকে শ্রমিক সঙ্কট, অন্য দিকে বৈরী আবহাওয়া যেন তাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষেতে কেটে রাখা ধান বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। ধানের ফলন ও দাম ভালো হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। ধান ঘরে তোলার মুহূর্তে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে চাষিরা পড়েছেন উৎকণ্ঠায়। এ ছাড়া শ্রমিক সঙ্কটে ধান ঘরে তোলা নিয়ে খুব চিন্তায় পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
এ উপজেলায় ইদের এক সপ্তাহ আগে থেকে ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়া কৃষকদের ভাবিয়ে তুলেছে। অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় অনেক কৃষক তাদের আধা পাকা ধান কেঠে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন। এ সময় পুরোদমে ধানকাটার মৌসুম শুরু হলেও এখনও অধিকাংশ কৃষক ক্ষেতের ধান ঘরে তুলতে পারেনি। আর ২-১ সপ্তাহের মধ্যে মাঠের পাকা ধানগুলো কেটে ঘরে তুলে নেয়ার অপেক্ষায় ছিল।কিন্তু প্রচন্ড বৃষ্টি হওয়ায় মাঠের পর মাঠ পাকা ধান মাটিতে নূইয়ে পড়েছে। অনেক জমিতে কেটে রাখা ধান বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। এতে ধানের সঙ্গে ডুবেছে কৃষকদের স্বপ্নও।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গতকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় মাঠের পর মাঠ পাকা ধান মাটিতে নূইয়ে পড়েছে। অনেক জমিতে জমে থাকা পানি কেটে রাখা ধানের ওপড়ে উঠে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলার বড় মৌকুড়ি গ্রামের কৃষক ফরিদ হোসেন জানান, এ বছর চার বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছিলাম। কষ্টার্জিত ফসল ঘরেতোলার আগেই বৃষ্টির পানিতে ডুবেগেছে জমির পাকা ধান। কিছু ধান বাড়ীতে এনেছি কিন্তু মলতে পারছিনা। ধান থেকে গাছ গজিয়ে যাচ্ছে। বিছালি শুকাতে পারছিনা। এবার গরুর কি খাওয়াবো বুঝতে পারছিনা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শৈলকুপা উপজেলা কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বোরো ধানের চাষ বেশি হয়েছে। ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। আমরা কৃষকদের জানিয়ে দিয়েছি ৮০% ধান পেকে গেলেই মাঠ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। কিন্তু প্রচন্ড বৃষ্টির কারনে এই কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। এরমধ্যে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগের মত বাড়িতে এনে পালা দিয়ে রেখেছেন আর বাকীগুলো ক্ষেতেই পড়ে বৃষ্টির পানিতে ভিজছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Theme Created By Uttoron Host