‘লালমরিরহাটে জিঙ্ক চালের বাণিজ্যিকীকরণের’ লক্ষ্যে ধান ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জিংক ধান এর উৎপাদন ও বাজারজাত করনের লক্ষে মতবিনিময় সভা ও দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ আগষ্ট) হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ এবং নজীর (নতুন জীবন রচি)-এর যৌথ আয়োজনে নতুন জীবন রচি (নজীর)’র হল রুমে দিনব্যাপী এ মতবিনিময় ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জহুরুল হক বলেন, জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেলে ছেলেমেয়েরা খাটো হয় না, শিশুদের দৈহিক গঠন বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশ হয়। ক্ষুধা মন্দা দূর করে, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, গর্ভবতী মায়ের জিংকের অভাব হলে শারীরিক দূবর্লতা দেখা দেয় এবং বাচ্চার স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ধ হয়। এখন থেকে প্রতিটি পরিবার যদি জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত প্রতিদিন গ্রহণ করে তা হলে উপরিল্লিখিত দেহের সমস্যগুলি দূর হবে।
আগ্রহী ভোক্তাগনকে নিকটস্থ বাজারে জিংক চাল ব্রান্ড প্যাকেট ও উল্লেখিত মিলারের উৎপাদিত চাল ক্রয় করতে পারবেন
মতবিনিময় সভা ও কর্মশালায় উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জহুরুল হক, লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক খোরশেদ আহম্মেদ, জেলা মার্কেটিং অফিসার ((কৃষি বিপনন) হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ এর রুহুল আমিন মন্ডল, নজীর’র নির্বাহী পরিচালক নুরুল হক সরকার, সমন্বয়কারী মোশারফ হোসেনসহ চাল মিলার, মহিলা সংগঠনের নেত্রী ও চাল বিক্রিতাগণ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।